বুধবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

পানি সংরক্ষনে জেসিআই ঢাকা হেরিটেজ’র অভিনব উদ্যোগ

অতি মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ পানির সংরক্ষন ও অপচয় রোধ এবং জলের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃস্টির লক্ষ্যে জেসিআই ঢাকা হেরিটেজ এক উদ্ভাবনী প্রকল্প গ্রহণ করেছে। মূলত জনগনের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করার লক্ষ্যে বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও বিদ্যালয়ে পানির স্তর নিয়ন্ত্রণকারী যন্ত্র স্থাপন করার মধ্যে দিয়ে এ প্রকল্পটির যাত্রা শুরু।

প্রক্লল্পটি এসডিজির লক্ষ্য ৬ এর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সাহায্য করবে, যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে সকল স্তরে পানি ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পানির ঘাটতি মোকাবেলায় কিংবা পানি সংকটে ভুগছেন এমন মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা ।”

এই প্রকল্পের প্রথম ধাপ হিসাবে গাজীপুর এর টঙ্গী শিল্প এলাকায় গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৩:৩০ টায় পানি সংরক্ষণের বিষয়ে সচেতনতা তৈরির জন্য স্থানীয় জনসাধারনের সাথে একটি আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং পানির ট্যাঙ্কগুলিতে যন্ত্রগুলি স্থাপনের কাজের সূচনা করা হয়।

গাজীপুর এর টঙ্গী থানার ওয়ার্ড নং ৪৩ এর ওয়ার্ড কমিশনার খালেদুর রহমান রাসেল, তার কার্যালয়ে জেসিআই ঢাকা হেরিটেজের সদস্যদের প্রকল্পের বিস্তারিত নিয়ে আলচনা করেন। পরে ওইদিন এক জনসচেতনতা মূলক আলচনায় জেসিআই ঢাকা হেরিটেজের লোকাল প্রেসিডেন্ট জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান খান রিমাজ, জেসিআই এবং প্রকল্প সম্পর্কে একটি সূচনা বক্তব্য দেন। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাঙ্গার ফ্রি ওয়ার্ল্ড, বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর, বি সেফ ফাউন্ডেশন এর সহ-সভাপতি এবং বিকশিত বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি জনাব আতাউর রহমান মিটন। তিনি বাংলাদেশের বর্তমান পানি পরিস্থিতি, পানি সংরক্ষণের গুরুত্ব এবং পানি সংরক্ষণের উপায় নিয়ে কথা বলেন।

আরও পড়ুনঃ  আজ সেই ভয়াল, বিভৎস ও মর্মাহতের দিন

অধিবেশনে উপস্থিত স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জনাব মুফতি মাহমুদুল হাসান সেখানে উল্ল্যেখ করেন কীভাবে পানির স্তর নিয়ন্ত্রক যন্ত্রটি তার মসজিদকে সাহায্য করেছে, কীভাবে এটি পানি সংরক্ষণ করেছে এবং সম্প্রদায়ের উপকার করেছে। অনুষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন বাঁধন কনস্ট্রাকশন এবং এ কে এ এস (আদর্শ কাজের সন্ধানে) যেখানে উপস্থিত ছিলেন বাঁধন কন্সট্রাকশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মর্তুজা বাঁধন ও এ কে এ এস এর প্রতিনিধি। এছাড়া জেসিআই ঢাকা হেরিটেজ কর্মকর্তাদের মধ্যে স্থানীয় সহ-সভাপতি জনাব আহসানুল হক আদনান, মহাসচিব জনাব গাজী সানী ইসনাইন, স্থানীয় পরিচালক জনাব জুনাইদ হোসেন ও সাধারন সদস্য জনাব ফারহান আহমেদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

জেসিআই ঢাকা হেরিটেজ এর লোকাল প্রসিডেন্ট জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান খান রিমাজ প্রকল্পের ভবিষ্যত সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে বলেন, “এই প্রকল্পটি জেসিআই এর এসডিজি লক্ষ্য বাস্তবায়নের পদক্ষেপগুলোর মধ্যে একটি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করার চেষ্টা করছি। সঠিকভাবে অর্থায়ন করলে জেসিআই ঢাকা হেরিটেজ প্রকল্পটি দেশব্যাপী সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করতে পারবে।”

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদটি শেয়ার করুন