শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

মোবাইল কোর্টের জরিমানার অর্থ আত্মসাৎ

মোবাইল কোর্টের জরিমানার অর্থ আত্মসাৎ
  • রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হচ্ছে কিনা খতিয়ে দেখার নির্দেশ

শরীয়তপুরে পৌনে ২ কোটি টাকা আত্মসাতের পর সারাদেশে মোবাইল কোর্ট কর্তৃক জরিমানার অর্থ সঠিকভাবে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ৬৮ জেলার ডিসিকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। পরে তিনি বলেন, ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত শরীয়তপুর জেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় ৭৫৪টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছিল। এসব মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মোট ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা আদায় হয়েছিল। এই টাকাটা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হয়নি। ৫৪টি জাল চালান তৈরি করে এই টাকা আত্মসাৎ করে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ অফিসার ইমাম উদ্দিন।

তদন্তে বিষয়টা ধরা পড়ার পর কিছু টাকা পরবর্তীতে জমা দিয়েছে এবং স্বীকার করেছে এই টাকাটা সে আত্মসাৎ করেছে। এতে সহযোগী ছিল তার স্ত্রী বেঞ্চ সহকারী কমলা আক্তার। তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা দায়ের করে। আদালতে প্রমাণ হওয়ার পর তাদের শাস্তি দেওয়া হয়। এই শাস্তির বিরুদ্ধে তারা আপিল করেন। সেই আপিল শুনানি শেষে হাইকোর্ট ইমাম উদ্দিনের ২৩ বছরের সাজা বহাল রেখেছেন। আদালত সহযোগী আসামি কমলা আক্তারকে খালাস দিয়েছেন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, সারাদেশে যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়, সেখানে যে অর্থ আদায় করা হয়, সেই টাকাটা সঠিকভাবে জমা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে বলেছেন হাইকোর্ট। প্রত্যেক জেলা প্রশাসক ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটকে এ বিষয়ে নজর রাখতে বলেছেন। মোবাইল কোর্টে জরিমানার অর্থ সত্যিকার অর্থে সরকারি কোষাগারে জমা হচ্ছে কি না তা দেখা তাদের দায়িত্ব। এটা অবশ্যই দেখতে হবে।

Print Friendly, PDF & Email
আরও পড়ুনঃ  বিনিয়োগ বাড়াতে পুরস্কার ঘোষণা

সংবাদটি শেয়ার করুন