রবিবার, ১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আলো ছড়াচ্ছে ‘সংকল্প পাঠাগার’

আলো ছড়াচ্ছে ‘সংকল্প পাঠাগার’

ময়মনসিংহের ত্রিশালে তিন বছর ধরে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে ‘সংকল্প পাঠাগার’। উপজেলার মোক্ষপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামে গড়ে উঠা পাঠাগারটি ওই ইউনিয়নের আলোকবর্তিকা হয়ে কাজ করছে। অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন আহমেদ (শাহীন) ২০১৮ সালের ১০ জুলাই গ্রামের মানুষের জ্ঞানের ক্ষুধা মেটাতে গড়ে তোলেন পাঠাগারটি।

প্রতিদিন শতশত মানুষ বই পড়তে ভিড় জমায় পাঠাগারটিতে। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত পাঠকদের জন্য খোলা থাকে এ পাঠাগার। রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ২ হাজার বই। এখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে লেখা বই রয়েছে। এমন একটি অজপাড়াগাঁয়ে গড়ে উঠা পাঠাগারে নিয়মিতই রাখা হয় চারটি জাতীয় দৈনিক। দেশ-বিদেশের খবরা খবর জানতে এবং বিভিন্ন বিষয়ে জানতে নবীন, প্রবীণ সকল বয়সের মানুষের পদচারণায় মুখরিত থাকে পাঠাগার।

পাঠাগারের সহকারি লাইব্রেরিয়ান সাদিক জানান, যথাসময়ে নিয়মিতই পাঠাগার খোলা হয়। এখানে বই পড়ে এলাকার মানুষ নিয়মিত জ্ঞানের আলো পাচ্ছে এটাতো মহা আনন্দের বিষয়। আমি যতদিন বেঁচে থাকবো ততোদিনই এ মহান ব্রতটি করে যেতে চাই।

পাঠাগারের নিয়মিত পাঠক লেখক এস এম মাসুদ রানা বলেন, পাঠাগারটি হাতের কাছে পাওয়ায় আমাদের খুব উপকার হয়েছে। টাকা দিয়ে বই কিনে হয়তো নিয়মিত এসব বই পড়া সম্ভব হতো না। ধন্যবাদ জানাই পাঠাগারের উদ্যোক্তাকে।

পাঠক নাঈম ইসলাম বলেন, বই পড়তে সবসময়ই আমার ভালো লাগে। সময়-সুযোগ পেলেই আমিও এখানে বই পড়তে চলে আসি। পাঠাগারে অনেক প্রজাতির বই আছে। আমার অনেক গুলো প্রিয় বই-ই এখানে রয়েছে। আমাদের স্থানীয় লেখক এস এম মাসুদ রানার বইগুলো পড়তে আমার সবচেয়ে ভালো লাগে।

আরও পড়ুনঃ  প্রকল্প শেষ হতে বিলম্ব কেন?

সংকল্প পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন আহমেদ (শাহীন) বলেন, নিজ উদ্যোগে পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠা করেছি। আমার এলাকার মানুষের বই পড়ার চাহিদা থেকেই এ উদ্যোগ। পাঠাগারটি রেজিষ্ট্রেশন পেয়েছে। অনেকেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে পাঠাগারের জন্য বই দিচ্ছেন। ভবিষ্যতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় নিজস্ব জায়গায় এখানে বঙ্গবন্ধু কর্ণার স্থাপন করা সম্ভব হবে বলে আমি আশাবাদী।

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদটি শেয়ার করুন