
অর্থনীতি সচল হলেও বাড়ছে না আমদানি বাণিজ্য
অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি চাঙা হলেও বৃদ্ধি পাচ্ছেনা আমদানি বাণিজ্য। এমনকি প্রয়োজনীয় মূলধনী যন্ত্রপাতি (ক্যাপিটাল মেশিনারি) আমদানির এলসিও খোলা হচ্ছে না। যদিও রফতানি আয় এবং রেমিট্যান্সের মাধ্যমে

অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি চাঙা হলেও বৃদ্ধি পাচ্ছেনা আমদানি বাণিজ্য। এমনকি প্রয়োজনীয় মূলধনী যন্ত্রপাতি (ক্যাপিটাল মেশিনারি) আমদানির এলসিও খোলা হচ্ছে না। যদিও রফতানি আয় এবং রেমিট্যান্সের মাধ্যমে

বিশ্বব্যাপী করোনার চরম পরিস্থিতিতেও প্রবাসী আয়ে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে ২১৫ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। একক মাস হিসেবে যা

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিরা থাকলেও দেশে রেমিট্যান্স আহরণে শীর্ষে রয়েছে তিন দেশ। সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র ও আরব আমিরাত এই তিন দেশ থেকে চলতি ২০২০-২১

করোনা মহামারিতেও দেশে রেমিট্যান্স আসায় তেমন একটা প্রভাব পড়েনি। দেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। চলতি অর্থবছরের

রেকর্ড গতিতে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। করোনার এ সঙ্কটের মাঝেও চলতি জুলাই মাসের প্রথম ১৬ দিনে ১৩৬ কোটি মার্কিন ডলার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স বৈধ পথে দেশে

রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়ে রফতানি আয় কমার পরেও প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলারের সর্বোচ্চ রেকর্ড করলো। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) নতুন এ

লকডাউন থাকায় রেমিট্যান্স পাঠাতে পারছনে না প্রবাসীরা বাড়বে দারিদ্র, সঙ্কটে পড়বে দেশের অর্থনীতি করোনা ভাইরাসের প্রভাবে অবরুদ্ধ পুরো বিশ্ব। থমকে আছে বিশ্বের ব্যবসা-বাণিজ্য। ঘর বন্দি

প্রবাসীরা চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশে ১৪৫ কোটি ২০ লাখ ডলার সমমূল্যের অর্থ পাঠিয়েছেন। যা আগের বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি। প্রবাসীরা ১৩১ কোটি

প্রবাসীরা নতুন অর্থবছরের প্রথম সাতমাসে ৬৩৪ কোটি ৫৮ লাখ ডলার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। ৮৫ টাকা করে প্রতি ডলার ধরলে এই রেমিট্যান্স এর পরিমান দাঁড়ায়

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৬৩৪ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৫৪ হাজার কোটি টাকা। গত সাত