
বিকাশ-রকেটে সরাসরি রেমিট্যান্স
এতদিন ধরে বিদেশি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এনে ওই অর্থ গ্রাহকের মনোনীত ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দিত মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। আর এর

এতদিন ধরে বিদেশি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এনে ওই অর্থ গ্রাহকের মনোনীত ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দিত মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। আর এর

প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) বাড়াতে ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে রেমিট্যান্সে কোনো ধরনের চার্জ নেবে না ব্যাংকগুলো। পাশাপাশি রেমিট্যান্স পাঠানোর সুবিধার্থে সপ্তাহের ছুটির দিনেও বিদেশে

প্রতিনিয়তই বাড়ছে ডলারের চাহিদা। সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দাম। মান হারাচ্ছে দেশীয় মুদ্রা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যাংকগুলোকে দেয়া হচ্ছে ডলার সহায়তা। এতে কমছে ডলার, বাড়ছে

বৈধপথে প্রবাসীদের আরও রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসীদের অবদান অপরিসীম। বুধবার সকালে মাদ্রিদে

রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি হওয়ায় ডলার সঙ্কটে পড়েছে দেশ। ডলারের কাছে কয়েক দফা মান হারিয়েছে টাকা। বাজারের অস্থিরতা কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিদিন রিজার্ভ থেকে বাজারে

বৈধ উপায়ে রেমিট্যান্স পাঠানোর শর্ত শিথিল করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ৫ হাজার টাকার বেশি রেমিট্যান্সে প্রণোদনা পেতে রেমিটারের ওয়ার্ক পারমিটসহ নানা কাগজপত্র জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা

করোনাকালে প্রবাসীদের আয় বাড়লেও কমেছে বিদেশি বিনিয়োগ। চলতি বছরের নভেম্বরে প্রবাসীরা ২শ’ ৭ কোটি ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে। গত বছরের নভেম্বরের তুলনায় ৩৩ দশমিক ৬৬

চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহ। নভেম্বরেও রেমিট্যান্সের উচ্চপ্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় ছিল। অক্টোবরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২ দশমিক শূন্য

অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কভিড-১৯ এর প্রভাবে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে সারাবিশ্ব। এ চলমান সংকটের মধ্যেও প্রবাসী আয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি মাসের ১২ দিনেই

গত অক্টোবর মাসেও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স গড়েছে রেকর্ড। অক্টোবর মাসে মোট ২১১ কোটি বা ২ দশমিক ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এ নিয়ে