
নতুন বছরে খাদ্যপণ্যের স্বস্তির আভাস
নতুন বছরে সাধারণ মানুষের অন্যতম বড় প্রত্যাশা থাকে খাদ্যপণ্যের দামে স্থিতিশীলতা। সীমিত আয়ের মধ্যে পরিবার পরিচালনার জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৫

নতুন বছরে সাধারণ মানুষের অন্যতম বড় প্রত্যাশা থাকে খাদ্যপণ্যের দামে স্থিতিশীলতা। সীমিত আয়ের মধ্যে পরিবার পরিচালনার জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৫

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ভারত থেকে

এ বছর বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে সাড়ে ১৭ লাখ টন ধান ও চাল কিনবে সরকার। এরমধ্যে সাড়ে ৩ লাখ টন ধান ও ১৪ লাখ

প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে আমদানি করা আরও ১১ হাজার ৫০০ টন চাল বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। সোমবার (২৪ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এতে

ধবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমদাদ ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জি টু জি

ভারত ও পাকিস্তান থেকে আমদানি করা ৩৭ হাজার ২৫০ টন চালের দুটি চালান চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এর মধ্যে পাকিস্তান থেকে ২৬ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন

ভারত ও মিয়ানমার থেকে আমদানি করা ৩৭ হাজার মেট্রিক টন চাল চট্টগ্রামে পৌঁছেছে। বুধবার (২৯ জানুয়ারি) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে

আমন মৌসুমে সরকারের ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে প্রতি কেজি ধান ৩৩ টাকা, সেদ্ধ চাল ৪৭ টাকা ও আতপ চাল ৪৬ টাকা কেজি নির্ধারণ করা

সরকার আসন্ন বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে ১৭ লাখ টন ধান ও চাল কিনবে। এরমধ্যে ৫ লাখ টন ধান, ১১ লাখ টন সেদ্ধ চাল, এক

দেশের চালের বাজারে চালকল মালিক ও মজুতদাররা যাথে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে এবং চালের মূল্য নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ হিসেবে বেসরকারি পর্যায়ে আরও ৫০টি প্রতিষ্ঠানকে