রবিবার, ১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
আবহাওয়া অধিদপ্তর

আজকের তাপমাত্রা ৪২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ২ মে থেকে বৃষ্টি হতে পারে

আজকের তাপমাত্রা ৪২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ২ মে থেকে বৃষ্টি হতে পারে

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চুয়াডাঙ্গায় আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে।

শ‌নিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, এদিন রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৩৭ দশমিক চার ডিগ্রি।

এদিকে যশোরে আজ ৪১.৬, রাজশাহী ও ঈশ্বরদীতে ৪১.৫, কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৪০.৮, রাঙ্গামাটিতে ৩৯.৫, সাতক্ষীরায় ৩৯.৩, খুলনার কয়রায় ৩৯.২, বাগেরহাটের মোংলায় ৩৯.১, খুলনায় ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

দেশের তাপমাত্রা আরও তিন দিন এ রকমই থাকবে উল্লেখ করে আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর বলেন, আগামী পরশু তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। তারপর ক্রমান্বয়ে তাপমাত্রা কমতে থাকবে। এছাড়া, ২ মে থেকে দেশের উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টি শুরু হবে। এই সময় ঢাকায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৩-৪ মে থেকে আশা করা যায়, প্রায় সারা দেশেই বৃষ্টি হবে। ফলে তাপমাত্রা অনেকটা সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে।

এ আবহাওয়াবিদ বলেন, এপ্রিল আমাদের উষ্ণতম মাস। মে মাসেও দেখা যায়, মাঝে মাঝে তাপপ্রবাহ আসে। যেহেতু মে মাসের প্রথম সপ্তাহে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, সাধারণত এই বৃষ্টি তিন থেকে পাঁচ দিন হয়। বৃষ্টি শেষ হয়ে গেছে আবার তাপমাত্রা বেড়ে যায়। সে ক্ষেত্রে দেশের অনেক জায়গায় মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের এবং কোনো কোনো জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে তীব্র তাপপ্রবাহ আসতে পারে। যেহেতু মে মাসে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে, অনেক সময় দেখে যায়, তাপপ্রবাহ না থাকলেও গরম অনুভূত হবে।

ভৌগলিক কারণে রাজশাহী, পাবনা, যশোর, চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা বেশি থাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই জায়গাগুলো দিয়ে ওয়েভ আকারে তাপ প্রবেশ করে। ভারতের গুজরাট, মধ্য প্রদেশ মরু এলাকা হওয়ায় তাপমাত্রা অনেক বেশি থাকে। উত্তর প্রদেশ, বিহার হয়ে বাংলাদেশের মধ্য ভাগ দিয়ে প্রবেশ করে। এই জেলাগুলোকে প্রবেশদ্বার বলা যায়। আমাদের দক্ষিণাঞ্চলে সাগর কাছে, এ জন্য তুলনামূলক তাপমাত্রা কম থাকে। আবার হিমালয় কাছে হওয়ায় উত্তরাঞ্চলেও তাপমাত্রা তুলনামূলক কম থাকে।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশে গণমাধ্যম যা ইচ্ছা বলার স্বাধীনতা পেয়েছে

এছাড়া, ঢাকার তাপমাত্রা দুপুর ৩টার পরে বেশি থাকে। জলাধার-গাছ না থাকায় স্থানীয় তাপ প্রশমিত হয় না। যে কারণে সন্ধ্যা ৬টা বা কখনো কখনো সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত গরমের অস্বস্তি বেড়ে যায়। কারণ কংক্রিট উপরি ভাগের তাপ ছড়ায়, দেখা যায় ওই সময় দ্রুত তাপমাত্রা বেড়ে যায়।

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদটি শেয়ার করুন