শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বেড়েছে ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বেড়েছে ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

বাংলাদেশ বিশ্বে ভারতের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী এবং দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার। বিগত পাঁচ বছরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে প্রায় ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে অর্থাৎ ১১ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে। ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি গত তিন বছরে ধারাবাহিকভাবে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে, যা ২০২১-২২ সালে প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছায় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে পেট্রাপোল-বেনাপোল ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট (আইসিপি) পরিদর্শনকালে গতকাল (২৩ ফেব্রুয়ারি) তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় হাইকমিশনার জনাব ভার্মা উভয় পক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য সহজীকরণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করে।

আলোচনায় তিনি পেট্রাপোল-বেনাপোল আইসিপির তাৎপর্য এবং পণ্য ও যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে এর সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে বলেন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করার ও মানুষে-মানুষে বিনিময়ের প্রসারের জন্য বাংলাদেশের সাথে উন্নয়ন অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতার প্রতি ভারত প্রতিশ্রুতি বদ্ধ। বাংলাদেশের সাথে আমাদের সংযোগ ও বাণিজ্য অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলো আমাদের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব। এই দুই দেশ ও জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি পরস্পরের সাথে জড়িত থাকার যৌথ প্রত্যয়ের উপর ভিত্তি করে নির্মিত।

এ সময় ভারতীয় হাই কমিশনার প্রনয় ভার্মা বিগত দিনে পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত উন্নয়ন ও সুযোগ সুবিধার কথা উল্লেখ করে বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রবেশদ্বার। স্থলভিত্তিক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ৭০ শতাংশেরও বেশি এখান দিয়ে হয়ে থাকে। ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে এই সীমান্তটি চব্বিশ ঘণ্টা চালু রয়েছে। যাত্রীদের চলাচলের ক্ষেত্রে পেট্রাপোল-বেনাপোল আইসিপির গুরুত্বের প্রেক্ষিতে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত একটি নতুন প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল বিল্ডিং উদ্বোধন করা হয়েছিল। যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান আন্তঃসীমান্ত চলাচলের চাহিদা পূরণের জন্য দ্বিতীয় একটি প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল বিল্ডিংও নির্মাণাধীন রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’ আজই আঘাত হানতে পারে

এছাড়াও ভারত সরকারের সহায়তায় দ্বিতীয় একটি কার্গো টার্মিনাল গেট নির্মিত হতে যাচ্ছে। এতে প্রতিদিনের আন্তঃসীমান্ত যানবাহনের যাতায়াতকে দ্বিগুণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আনন্দবাজার/কআ

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদটি শেয়ার করুন