শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট

বসতবাড়ি-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা
  • বসতবাড়ি-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা

গাজীপুরের শ্রীপুরে পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বসতবাড়ী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করার অভিযোগ করেছে সিরাজুল ইসলাম। হামলাকারীরা ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটে নেয়। গত সোমবার সকালে শ্রীপুর পৌরসভার উজিলাব (মিনিবিটা) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে ওইদিন রাতে শ্রীপুর থানায় ১৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে অভিযুক্ত করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

অভিযুক্তরা হলো একই গ্রামের আব্দুল বাতেনের ছেলে মকবুল হোসেন (৪২), সাইদুল ইসলামের ছেলে সানোয়ার মন্ডল (৩৪), শামসুদ্দিনের ছেলে ওমর (৩২), আমীর আলীর ছেলে মোশারফ (৩৫), বজলুর রহমানের ছেলে রবিন (৩০) ও মেহেদী হাসান (২০), শাহ আলমের ছেলে রায়হান (২০), ছামাদের ছেলে তাসমিম (১৮), রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে জাবেদ (২৬), আতর আলীর ছেলে আকরাম (২৫) ও শাহজাহান (৩৫), ফরিদের ছেলে রুমান মিয়া (২২), হাফিজ উদ্দিনের ছেলে নাজমুল হকসহ তাদের সহযোগীরা।

সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রতিপক্ষ মকবুল হোসেনের সাথে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। ওই বিরোধের জেরে সোমবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে মকবুল ও তার ২০/২৫ জন সহযোগী দেশীয় অস্ত্রসশস্ত্র নিয়ে তার বাড়ীতে হামলা করে। এসময় তার স্ত্রী রেশমী আক্তার তাদেরকে বাধা দেয়। পরে মকবুল রেশমীকে লোহার রড ও দা দিয়ে কোপ দেয়ার চেষ্টা করলে তা দরজার গেটে লাগে। এসময় তারা তার স্ত্রীকে দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। এসময় তার অন্যান্য সহযোগীরা ঘরে প্রবশে করে আসবাবপত্র ভাংচুর করে এবং নগদ দুই লাখ ২০ হাজার টাকা ও তার স্ত্রীর গলা থেকে স্বর্নের চেইন লুটে নেয়। পরে তারা স্থানীয় হাবিবুর রহমানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করে ভাংচুর ও টাকা পয়সা লুটে নেয়।

আরও পড়ুনঃ  খাদ্য সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বাত্বক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে : কৃষিমন্ত্রী

অভিযুক্ত মকবুল হোসেন জানান, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা একেবারেই মিথ্যা। তাদের সাথে আমার কোনো বিরোধ নাই এবং হামলার ঘটনার সাথে আমি জড়িত না। তবে, কি কারনে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে তা আমার জানা নেই। যে অভিযোগ দিয়েছে সে বলতে পারবে। 

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, অভিযোগ পেয়েছি। যেহেতু ঘটনাটি মারামারির তাই সার্টিফিকেট পাওয়ার পর তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। বিষয়টি তদন্তের জন্য একজন উপ-পরিদর্শককে (এসআই) দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদটি শেয়ার করুন