শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

এইচএসসির প্রশ্নে সাম্প্রদায়িক উসকানিতে জড়িত ৫ জন চিহ্নিত

এইচএসসির প্রশ্নে সাম্প্রদায়িক উসকানিতে জড়িত ৫ জন চিহ্নিত

এইচএসসির বাংলা প্রথম পত্রের ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একটি প্রশ্নে সাম্প্রদায়িক উসকানিতে জরিত থাকায় প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও পরিশোধনকারী ৫ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার আজ মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

অভিযুক্তরা হলেন—প্রশ্নপত্র প্রণেতা ঝিনাইদহের ডা. সাইফুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক প্রশান্ত কুমার পাল, প্রশ্নপত্র পরিশোধনকারী নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ তাজুদ্দিন শাওন, সাতক্ষীরা সহকারী মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. শফিকুর রহমান, নড়াইলের মির্জাপুর ইউনাইটেড কলেজের সহকারী অধ্যাপক শ্যামল কুমার ঘোষ এবং কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা আদর্শ কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম।

শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, ‘অভিযুক্তরা সবাই যশোর বোর্ডের। তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, এই বিষয়ে যশোর বোর্ড শিগগির তাদেরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেবে।’

রোববার সারা দেশে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা দিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের প্রশ্নপত্রের সৃজনশীল অংশে একটি প্রশ্নে সাম্প্রদায়িক উস্কানির অভিযোগ ওঠে। প্রশ্নপত্রের ১১ নম্বর প্রশ্নে সনাতন ধর্মের দুই ভাইয়ের জমি নিয়ে বিরোধের বিষয় তুলে ধরা হয়।

যেখানে দেখানো হয়, নেপাল ও গোপাল নামের দুই ভাইয়ের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ছোট ভাই নেপাল তার বড় ভাইকে শায়েস্তা করতে আব্দুল নামের একজনের কাছে একাংশ জমি বিক্রি করে দেন। আব্দুল সেই জমিতে বাড়ি করে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন এবং কোরবানির ঈদে সেখানে গরু কোরবানি দেন। এতে জমি বিক্রেতার ভাইয়ের মন ভেঙে যায়, তিনি জমি-জমা সব ফেলে সপরিবারে ভারতে চলে যান।

আরও পড়ুনঃ  মানবেতর জীবনযাপন কাটাচ্ছে কিন্ডার গার্টেনের শিক্ষকরা

এমন প্রশ্নপত্র নিয়ে ইতিমধ্যে সারাদেশে বেশ আলোচনা-সমালোচনার হয়। এইচএসসি প্রশ্নে সাম্প্রদায়িক উসকানিতে উৎসাহিত করার জন্য জরিতদের শাস্তির দাবি ওঠে।

আনন্দবাজার/কআ

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদটি শেয়ার করুন