শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

হলদিবাড়ি-চিলাহাটি পথে ট্রেন চলাচল

হলদিবাড়ি-চিলাহাটি পথে ট্রেন চলাচল, যাত্রী বাড়ছে মিতালীতে

ধীরে ধীরে যাত্রীর সংখ্যা বাড়ছে মিতালী এক্সপ্রেসের। রবিবার ভারতের আন্তর্জাতিক সীমানা পেরিয়ে ৪৪ জন যাত্রী নিয়ে বাংলাদেশের ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন এর উদ্দেশ্যে রওনা দেয় ট্রেনটি। যার মধ্যে বাংলাদেশী ৩০ জন ও ভারতীয় ১৪ জন যাত্রী ছিল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ৫৭ বছর পর গত ১ জুন ১২ জন যাত্রী নিয়ে ১টা বেজে ৩৩ মিনিটে বাংলাদেশের মাটি স্পর্শ করে যাত্রীবাহী আন্তর্জাতিক ট্রেন এক্সপ্রেস। সেই দিন হলদিবাড়ি রেল স্টেশনে দাঁড়িয়ে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার আনসুর গুপ্তা হলদিবাড়িতে স্টপেজের প্রসঙ্গে জানিয়েছিলেন সুরক্ষার ব্যাপার রয়েছে।

ট্রেনে যাত্রী বেশি হলে তখন বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে। মিতালী এক্সপ্রেসে ধীরে ধীরে যাত্রী সংখ্যা বাড়তেই সেই বক্তব্যকে হাতিয়ার করে হলদিবাড়ি স্টেশন স্টপেজ ও টিকিট বিক্রির দাবিতে সোচ্চার হয় হলদিবাড়ির পাসপোর্ট হোল্ডার নাগরিক সমিতি। এদিকেও বাংলাদেশের নীলফামারী জেলার চিলাহাটির মানুষ স্টপেজের দাবিতে আন্দোলন করছেন।

চিলাহাটির স্থানীয় বাসিন্দা মোহাব্বত হোসেন বাবু বলেন- মিতালী এক্সপ্রেসের ধীরে ধীরে যাত্রী বাড়ছে। চিলাহাটি স্টেশনে স্টপেজ হলে চিলাহাটি থেকে বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় মানুষ সহজেই ভারতে যেতে পারবে। এখন এই ট্রেনযাত্রা করতে হলে বহুপথ ঘুরতে হয় যাতে অর্থ ও সময় দুটোই নষ্ট হচ্ছে। মিতালী এক্সপ্রেসের ট্রেন পরিচালক এস.এম দুলাল বলেন- চিলাহাটিতে ট্রেন স্টপেজ এর ব্যাপারটা প্রয়োজনের উপর নির্ভর করে। রেলওয়ে অফিসাররা সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য চুল ছেড়া বিশ্লেষণ করে। যদি এখানে প্রয়োজন হয় আমার দীর্ঘ বিশ্বাস তারা অচিরেই চিলাহাটিতে স্টপেজ এর ব্যবস্থা করবে।

আরও পড়ুনঃ  কবরে চোরের হানা

বর্তমানে মিতালী এক্সপ্রেসের ভারতের এনজিপি ও বাংলাদেশের ঢাকার মাঝে কোনো স্টপেজ নেই। দু’দেশের স্থানীয়দের দাবি দ্রুত হলদিবাড়ি এবং চিলাহাটি স্টপেজ করা হলে এলাকার মানুষের অনেকটা কষ্ট-দুর্দশা লাগব হবে। চিলাহাটি স্টেশন মাস্টার রুহুল আমিন বলেন- আইকনিক স্টেশন বিল্ডিংয়ের কাজ চলমান রয়েছে, এ বিল্ডিং এর ভিতরে ইমিগ্রেশন-কাস্টম অফিস হবে। কাজ শেষ হলে এবং বাংলাদেশী লাল সবুজের নতুন বগি দিয়ে যখন মিতালী এক্সপ্রেস চলবে তখন চিলাহাটি স্টেশন স্টপেজ এবং টিকিট বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে। গত ১ জুন ট্রেন উদ্বোধনের পর নিউ জলপাইগুড়ি থেকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট পর্যন্ত ৮ দফায় ১৯৪ জন যাত্রী এবং ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে নিউ জলপাইগুড়ি ৭ দফায় ২১৬ জন যাত্রী চলাচল করে। তার তিনভাগের দুইভাগ বাংলাদেশী এবং এক ভাগ ভারতীয় যাত্রী ছিল।

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদটি শেয়ার করুন