রবিবার, ১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাইরের অ্যাম্বুলেন্স অপকর্মে জড়িত

বাইরের অ্যাম্বুলেন্স অপকর্মে জড়িত

বাইরের জেলা থেকে রোগী নিয়ে রাজধানীতে আসা অ্যাম্বুলেন্স ব্যাপারে চরম আপত্তি ঢাকার অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের। তাদের অভিযোগ, ঢাকার বাইরের জেলাগুলোতে তারা আমাদের অ্যাম্বুলেন্স থেকে রোগী নামিয়ে রেখে দেয়। আমরা তো শুধু টাকা নিয়েই ছেড়ে দেই। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা আত্মপক্ষ সমর্থন করে দৈনিক আনন্দবাজারকে বলেন, ঢাকার বাইরে থেকে আসা অনেক অ্যাম্বুলেন্স নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। তিনি দাবি করেন, প্রতিনিয়তই ইয়াবা নিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ছে অনেক অ্যাম্বুলেন্স। তারা বাইরে থেকে এসে এখানে রোগী নিতে চাইলে তো আমরা দিতে পারি না। সেটা আমাদের দায়িত্ব।

রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের সিন্ডিকেটের বিষয় স্বীকার করে গোলাম মোস্তফা বলেন, বিভিন্ন হাসপাতালের সামনে কিছু দালাল থাকে, যারা সিন্ডিকেটের সদস্য। বিভিন্ন সময় তারা রোগীর স্বজনদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। এতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। তবে এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করে না। করলে প্রমাণ সাপেক্ষে ব্যবস্থা নিতে পারতাম।

তবে গোলাম মোস্তফা যে সমিতির প্রধান সেই সমিতিই যে সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দিচ্ছে- এমন অভিযোগ তুললে তিনি মেনে নিতে আপত্তি জানান। পরে বলেন, আমি পরিবারসহ উত্তরায় থাকি। সেখানকার হাসপাতালগুলোর রোগীদের সেবা দিয়ে থাকি। যার যে এলাকা সেখানেই তারা ব্যবসা করে। আমাদের কিছু নিয়ম-কানুন আছে। সেগুলো খেয়াল রাখতে হয়।

যদিও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের নির্মম ঘটনার পেছনে নীতিমালা না থাকাকে দায়ী করে গোলাম মোস্তফা বলেন, নীতিমালা প্রণয়নের জন্য শুধু বিআরটিএ বরাবর আবেদনই করিনি, বিভিন্ন সভা-সমাবেশ, সেমিনারেও কথা বলেছি। এখনও বলছি। তবে কোনো কাজ হচ্ছে না। বিআরটিএর কোনো নীতিমালাই নেই উল্লেখ করে মোস্তফা বলেন, সেজন্যই এখানে শৃঙ্খলা ফেরানো যাচ্ছে না। নীতিমালার আওতায় এলে ভাড়া নির্ধারণসহ মালিকদের ট্যাক্স দিতে হবে। যা মওকুফ হলে কম টাকায় সেবা দেয়া যাবে। এতে সিন্ডিকেট এমনিতেই ভেঙে যাবে।

Print Friendly, PDF & Email
আরও পড়ুনঃ  চাল বিতরণে অনিয়ম, ভ্রাম্যমান আদালতে দু’জনের কারাদন্ড

সংবাদটি শেয়ার করুন