শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন হচ্ছে আল্লাহর হুকুমে: হাইকোর্ট

২০১৮ সালের রাতের ভোট প্রমাণ করতে ১৮ কোটি সাক্ষী হাজির করুন: হাইকোর্ট

জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ বলেছেন, নির্বাচন আল্লাহর হুকুমে হচ্ছে, কারণ সবকিছু তার হুকুমেই হয়। আগামী ৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (০৩ ডিসেম্বর) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।

হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট আবেদনের শুনানিকালে বলেন, সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় সংক্রান্ত বিষয়গুলো ইতোমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট নিষ্পত্তি করেছে। বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম শুনানিকালে বলেন, রিট আবেদনের বিষয়বস্তু সাংবিধানিক বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে আমরা আইন অনুযায়ী বিষয়টি দেখব।

আগামীকাল (সোমবার) দুপুর ২টায় এ বিষয়ে শুনানি শুরুর জন্য সময় নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট বেঞ্চ।

রিট আবেদনকারী অ্যাডভোকেট মো. ইউনুস আলী আকন্দ হাইকোর্ট বেঞ্চকে বলেন, সংবিধানের ১২৩ (৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আরও পাঁচ মাস সময় ছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তড়িঘড়ি করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে যাচ্ছে। সংবিধানে বলা আছে, সংসদ ভেঙে যাওয়া ছাড়া অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে ওই শূন্যপদ পূরণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে শর্ত আছে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোনো দৈব-দুর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তাহলে ওই মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এ আইনজীবী আরও বলেন, অনেক স্বতন্ত্র প্রার্থী সময় কম থাকায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি। এছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত মামলার রায়ে আপিল বিভাগের নির্দেশনায় নির্বাচনকালীন সরকার ছোট করার কথা থাকলেও বর্তমান মন্ত্রিসভা ছোট করা হয়নি বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুনঃ  অস্থির চালের বাজার

এদিকে রিট আবেদনের বিরোধিতা করে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ইসির তফসিল ঘোষণায় কোনো আইন ভঙ্গ হয়নি। তিনি সংবিধানের ১২৩ (৩) অনুচ্ছেদের বরাত দিয়ে বলেন, মেয়াদ শেষের কারণে সংসদ ভেঙে দেওয়ার আগের ৯০ দিনের মধ্যে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদটি শেয়ার করুন