শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

গবাদিপশুর জুনোটিক রোগ ঝুঁকি কমাতে গবেষণা

গবাদিপশুর জুনোটিক রোগ ঝুঁকি কমাতে গবেষণা

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) অডিটোরিয়ামে গবাদি পশুর জুনোটিক রোগ, টিউবারকুলোসিস (টিবি) এবং ক্যামপাইলোব্যাকটেরিওসিস ঝুঁকি কমাতে একটি গবেষণা কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বুধবার দুপুরে ‘বাংলাদেশের নির্বাচিত ডেয়রি ফার্মে জুনোটিক যক্ষা ও ক্যামপাইলোব্যাকটেরিওসিস রোগের গবেষণা’ শীর্ষক ওই কর্মশালাটির আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্পের কোঅর্ডিনেটর , প্রধান গবেষক ড. এস. এম. লুৎফুল কবির। গবেষণা প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে ছিলেন আইসিডিডিআরবির ড. মো. জিয়াউর রহিম এবং কো-প্রকল্প পরিচালক হিসেবে ছিলেন বাকৃবি ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুল হাসান শিকদার।

অধ্যাপক ড. এস. এম. লুৎফুল কবির জানান, এ প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকা এবং ময়মনসিংহের মোট ৩শ’ ফার্মে গবেষণা করা হয়। এসব অঞ্চলে ডেইরি ফার্মিংয়ে জুনোটিক যক্ষা ও ক্যামপাইলোব্যাকটেরিওসিস রোগের সম্ভাব্য ঝুঁকি চিহ্নিত করা হয়েছে।

এছাড়া এ রোগ সমূহের জুনোটিক ইমপ্যাক্ট এবং ইকোনোমিক ইমপ্যাক্ট নির্ণয় করা হয়েছে। প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত ফলাফল উক্ত জুনোটিক রোগ সমূহের নিয়ন্ত্রণে ও অর্থনৈতিক ক্ষতি কমাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে যক্ষা ও ক্যামপাইলোব্যাকটার জীবাণুর বিরুদ্ধে টিকা তৈরীর পরিকল্পনা করা দরকার।

তিনি আরও জানান, ক্যাম্পাইলোব্যাকটেরিওসিস ব্যাকটেরিয়া জনিতরোগ। এরা গবাদি পশুর ক্ষেত্রে ডাইরিয়া ও গর্ভপাত সৃষ্টি করে। এ রোগটি আক্রান্ত গাভীর দুধ ও আক্রান্ত গাভীর মলের মাধ্যমে সুস্থ পশুতে সংক্রমিত হয়। অপরদিকে টিবিও গবাদিপশুর ব্যাকটেরিয়াজনিত একটি রোগ। রোগটির কারণে গবাদিপশুর উৎপাদন ক্ষমতা বহুলাংশে কমে যায় এবং খামারিদের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এমনকি এ রোগটি গবাদিপশু হতে মানুষে সংক্রমিত হয়।

আরও পড়ুনঃ  জবি যুবকের গিনেস রেকর্ড

আইসিডিডিআরবির প্রধান ইনভেস্টিগেটর ড. মো. জিয়াউর রহিমের সভাপতিত্বে এবং বাকৃবি ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুল হাসান শিকদারের সঞ্চালনায় কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএলএসের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাকৃবির ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মকবুল হোসেন, কেজিএফের পরিচালক ড. নাথু রাম সরকার। এছাড়াও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যায়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকবৃন্দ এবং বিভিন্ন অঞ্চলের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও খামারিরা উপস্থিত ছিলেন।

আনন্দবাজার/শহক

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদটি শেয়ার করুন