বুধবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

অর্ধেকে দামে তরমুজ, তবুও মিলছেনা ক্রেতা

অর্ধেকে দামে তরমুজ, তবুও মিলছেনা ক্রেতা

রোজার শুরুতে চড়া মূল্যে থাকা তরমুজের দাম দুই সপ্তাহের ব্যবধানে অর্ধেকে নেমেছে, তবুও মিলছেনা কাঙ্খিত ক্রেতা।

বর্তমান বাজারে ৪৫ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে মিলছে প্রতি কেজি তরমুজ। কোথাও কোথাও ৪০ টাকা দরেও পাওয়া যাচ্ছে। আবার কোথাও প্রতি পিস বড়োসড়ো তরমুজ ২০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর বাজারগুলোতে সবচেয়ে বড় ১০ থেকে ১২ কেজি ওজনের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৩৪০ থেকে ৪০০ টাকায়। মাঝারি সাইজের তরমুজ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা এবং ছোট তরমুজ ২০০ টাকার নিচেও কেনা যাচ্ছে। যেখানে রোজার শুরুতে প্রতি কেজি তরমুজের দাম ছিল ৮০ থেকে ৯০ টাকা প্রতিকেজি।

মহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, রামপুরা, মালিবাগসহ শনিবার (৩০ মার্চ) বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুব ভালোমানের তরমুজ প্রতিকেজি ৪৫-৫০ টাকা। তবে ভ্যানে ও ফুটপাতে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। আকারে ছোট বা ৪-৫ কেজির তরমুজ পিস হিসেবে বিক্রি করতে দেখা গেছে। সেক্ষেত্রে ১৫০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এ তরমুজ।

তরমুজের সরবরাহ বাড়লেও সেই তুলনায় ক্রেতা নেই। আবার আগের থেকে পরিপক্ক তরমুজ মিলছে। ওজন করেও পিস হিসেবে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে বলে অনেক বিক্রেতা জানান। এদিকে, আড়তে সারিসারি তরমুজ সাজিয়ে বসে আছেন বিক্রেতারা। তারা বলছেন, তরমুজের সরবরাহ বেড়ে গেলেও বিক্রি বেশ কম। গেলো কয়েকদিনের তুলনায় দামও বেশ কমতির দিকে। তবে খুচরা পর্যায়ে গিয়ে দাম বেড়ে যায় বলেও অভিযোগ করেছেন পাইকারি বিক্রেতারা। তারা বলছেন, আড়তে যে দামে তরমুজ মিলছে, সেই তুলনায় খুচরাই দাম কমেনি। তরমুজের কেজি ৩০ টাকার মধ্যে হওয়া দরকার।

আরও পড়ুনঃ  করোনায় থমকে আছে আটঘর নৌকার হাট

রাজধানীর সুপারশপে ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা কেজিতেও মিলছে রসালো এ ফলটি। আর জেলা শহরগুলোতে তরমুজের দাম আরও কম। রাজধানীর বাইরে প্রতিকেজি তরমুজ ৩০ টাকা ধরে খুচরা বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে। বেশি পরিমাণে তরমুজ বাজারে আসায় দ্রুত দাম কমতে শুরু করেছে। এছাড়া রোজার শুরুতে তরমুজের অস্বাভাবিক দাম হওয়ার কারণে অনেকে তরমুজ না কেনার জন্য প্রচার-প্রচারণা চালান। যাতে তরমুজের বিক্রি অনেক কমেছে।

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদটি শেয়ার করুন