শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে বন্যাদুর্গতদের পাশে জেএমআই গ্রুপ

এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে বন্যাদুর্গতদের পাশে জেএমআই গ্রুপ

সিলেট ও সুনামগঞ্জে অসহায় বন্যার্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী জেএমআই গ্রুপ। সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহায়তায় দুই জেলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত চার উপজেলার আশ্রয়কেন্দ্রে জেএমআই গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান জেএমআই ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাস লিমিটেডের পক্ষ থেকে পৌঁছে দেয়া হয়েছে রান্নার গ্যাস।

২২ থেকে ২৫ জুন প্রতিষ্ঠানটির সিলেট ডিপো থেকে ২০০টি ১২ কেজির গ্যাসভর্তি এলপিজি সিলিন্ডার বিনামূল্যে পৌঁছে দেয়া হয় সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ ও গোয়াইনঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতক ও জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে।

জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাকের নির্দেশে বন্যার্তদের সহায়তায় এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ নিশ্চিতে দায়িত্ব পালন করেন জেএমআই ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্যাসের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয়) মো. মামুনুর রশীদ শেখ এবং জেএমআই গ্রুপের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. রাজিব হাসান জনি।

বন্যাদুর্গতদের সহায়তার বিষয়ে জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক জানান, জেএমআই গ্রুপ সবসময় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। এলপিজি বিতরণ ব্যবস্থায় সারা দেশে আমাদের কর্মীরা কাজ করছে। সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যার তথ্য জানার পরপরই, আমরা আমাদের সহায়তা কার্যক্রম শুরু করেছি। এই মুহূর্তে বন্যাকবলিত এলাকায় রান্নার জ্বালানির ব্যাপক সংকট দেখা দিয়েছে। তাই, বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যার্ত মানুষদের সহায়তায় আমাদের পক্ষ থেকে সাধ্যমতো রান্নার জ্বালানি পৌঁছে দেয়া হয়েছে। দেশে যেকোন ধরণের দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার ও জনগণের পাশে আমরা ছিলাম, আছি এবং সবসময় থাকবো ইনশাআল্লাহ।

জেএমআই গ্রুপের এমন উদ্যোগে প্রশংসা ব্যক্ত করেছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মজিবর রহমান, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ইয়াসমিন নাহার রুমা, সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আনোয়ার-উল-হালিম, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লুসিকান্ত হাজং, গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিলুর রহমান, ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রহমান এবং জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাজেদুল ইসলাম।

Print Friendly, PDF & Email
আরও পড়ুনঃ  বিএসআরএমের ইপিএস বেড়েছে ৬৪ শতাংশ

সংবাদটি শেয়ার করুন