ঢাকা | শুক্রবার
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য দশম গ্রেড কেন নয়

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য দশম গ্রেড কেন নয়

সরকারি প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের বেতন কাঠামো দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদায় (দশম গ্রেডে) উন্নীত করা নিয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। তাদের বেতন কাঠামো তৃতীয় শ্রেণি (১৩তম গ্রেড) থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে (দশম গ্রেড) উন্নীত না করা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং কেন তাদের বেতন কাঠামো তৃতীয় শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করার নির্দেশ দেওয়া হবে না, জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, অর্থসচিব, আইনসচিব, সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বেতন কাঠামো দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করার নির্দেশনা চেয়ে ১৫ শিক্ষকের এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানির পর গতকাল সোমবার রুলসহ আদেশ দেন বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দীর বেঞ্চ।

সহকারী শিক্ষকদের বেতন কাঠামো দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করার প্রস্তাবনা প্রণয়নে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের দপ্তরে করা আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত বছর ৩০ নভেম্বর প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক দশম গ্রেড বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদের পক্ষ থেকে এ আবেদন করা হয়েছিল। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান।

আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, প্রাথমিকে সহকারীরা শিক্ষকদের বেতন কাঠামো তৃতীয় শ্রেণির। অথচ একই ধরনের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে একজন সিনিয়র নার্স দ্বিতীয় শ্রেণির (দশম গ্রেড) পদমর্যাদায় বেতন পান। গত ১০ নভেম্বর জয়পুরহাটের প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক মো. মাহববুর রহমানসহ বিভিন্ন জেলার ১৫ জন শিক্ষক হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেন। ওই রিট আবেদনে রিটকারীরা তাদেরকে দশম গ্রেড দেওয়ার নির্দেশনা চান। পরে সে রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিবাদীদের প্রতি রুল জারি করলেন হাইকোর্ট।

সংবাদটি শেয়ার করুন