
নির্বাচনে জামায়াতের লড়াই ১৭৯ আসনে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১০টি দল নির্বাচনী সমঝোতায় পৌঁছেছে, যদিও এর নাম রাখা হয়েছে ‘১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’। তবে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে এখনও চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১০টি দল নির্বাচনী সমঝোতায় পৌঁছেছে, যদিও এর নাম রাখা হয়েছে ‘১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’। তবে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে এখনও চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।

আজ সন্ধ্যায় আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে ১১ দল। দুপুরে ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি)

ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম নির্বাচনি মাঠে নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ করেছেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে কে সরকার গঠন করবে, কে হবেন প্রধানমন্ত্রী—এ নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। এই প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা আটটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। নির্বাচনী সমঝোতার অংশ

জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মধ্যে নির্বাচনকেন্দ্রিক সমঝোতা চূড়ান্ত হওয়ার পর দলটির সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছেন জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা

বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন আট দলীয় জোটে যোগ দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীতে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী কোনো রাজনৈতিক মিত্র হিসেবে নির্ভরযোগ্য নয়

জামায়াতে ইসলামীসহ ৮ দলীয় জোটের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সম্ভাব্য রাজনৈতিক জোট বা আসন সমঝোতা নিয়ে দলটির ভেতরে তীব্র মতবিরোধ প্রকাশ্যে এসেছে। দলটির কেন্দ্রীয়

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানিয়েছেন, তাদের দলের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আসন সমঝোতার বিষয়ে আলোচনা চলছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) এ তথ্য