
রেমিট্যান্সে নতুন গতি, ১৮ দিনে এল দুই বিলিয়ন ডলার
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পবিত্র রমজান ঘনিয়ে আসায় প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ইতিবাচক গতি দেখা দিয়েছে। সময় যত এগোচ্ছে, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান এই খাত

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পবিত্র রমজান ঘনিয়ে আসায় প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ইতিবাচক গতি দেখা দিয়েছে। সময় যত এগোচ্ছে, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান এই খাত

চলতি মাসের জানুয়ারির প্রথম সাত দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশ থেকে দেশে পাঠিয়েছেন ৯০ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। স্থানীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ বা রিজার্ভ সম্প্রতি বেড়ে ৩৩.১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে সাময়িক স্বস্তি ফিরলেও রপ্তানি খাতে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্থনীতিকে কিছুটা সহায়তা করলেও পণ্য রপ্তানির নেতিবাচক প্রবণতা

ডিসেম্বরের প্রথম ২৭ দিনেই দেশে প্রবাসী আয় এসেছে উল্লেখযোগ্য হারে। এ সময় রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৭৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার, যা টাকার অঙ্কে প্রায়

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, দেশের রিজার্ভ বাড়াতে ধার বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে অর্থ নেওয়ার প্রয়োজন নেই; রিজার্ভ আমাদের নিজেদের

চলতি ডিসেম্বরের শুরু থেকেই প্রবাসী আয়ে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে বাংলাদেশ। মাসটির প্রথম ১৬ দিনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে দেশে এসেছে মোট ১৮২ কোটি ৬০

বাজারে ডলার বিক্রি অব্যাহত থাকায় এবং কাঙ্খিত রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় না আসায় দুই সপ্তাহের ব্যবধানে রিজার্ভ কমেছে ১১৬ কোটি ডলার (১ দশমিক ১৬ বিলিয়ন)।

অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি চাঙা হলেও বৃদ্ধি পাচ্ছেনা আমদানি বাণিজ্য। এমনকি প্রয়োজনীয় মূলধনী যন্ত্রপাতি (ক্যাপিটাল মেশিনারি) আমদানির এলসিও খোলা হচ্ছে না। যদিও রফতানি আয় এবং রেমিট্যান্সের মাধ্যমে

এক সময় বিশ্ব বাজারে দেশের সোনালী আঁশ খ্যাত পাটের চাহিদা ছিল আকাশচুম্বী। কৃষিতে উৎপাদিত পাট ও পাটজাত পণ্য সে সময়ে রফতানি করে আসতো প্রচুর বৈদেশিক