বাংলাদেশে পুরো বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করেছে ভারতের ব্যবসায়ী গৌতম আদানির কোম্পানি আদানি পাওয়ার লিমিটেড। দেশটির ঝাড়খণ্ড রাজ্যের গোড্ডা পাওয়ার প্ল্যান্টের পুরো সক্ষমতা; অর্থাৎ ১৬০০ মেগাওয়াটই
দেশের বন্ধ থাকা সরকারি সব বিদ্যুৎ কেন্দ্র সচলের জন্য পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে ভারতের আদানি পাওয়ার ঝাড়খণ্ড লিমিটেড (এপিজেএল)। বকেয়া বিল সময়মতো না পেয়ে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। আদানির
কয়লাসং কটের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের দুইটি ইউনিটের উৎপাদন। পুরোপুরি আমদানি নির্ভর ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার এই
দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি আমদানি বাবদ বৈদেশিক মূল্য পরিশোধের দায় মেটাতে প্রায় ২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা
সরকারের ভুল নীতির কারণে বিদ্যুৎ খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে, ফলে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে এর দায় চাপিয়ে দিচ্ছে জনগণের ওপর। সরকার বিকল্প উপায়ে বিদ্যুতের দাম নিয়ন্ত্রণ
কক্সবাজার, ময়মনসিংহ ও বাগেরহাটে চারটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে সরকারের ব্যয় হবে ১৪ হাজার ৬১ কোটি ৬০ লাখ
নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ ভারতের জাতীয় গ্রিড ব্যবহার করে আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) এ বিদ্যুৎ
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক উৎপাদনে শুরু হচ্ছে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। তবে এই ইউনিটে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে ২০২৫ সালের শুরুতে। গ্রাহকরা ২০২৫
জাপান সরকার বাংলাদেশকে মাতারবাড়ী আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল-ফায়ার্ড পাওয়ার প্রজক্টের জন্য ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৫৬ মিলিয়ন জাপানিজ ইয়েন (আনুমানিক ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন