
পুঁজিবাজারে পতন
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে চীনসহ বিশ্বের প্রায় অনেক দেশে হ্রাস পেয়েছে পণ্য উৎপাদন। যার ফলে গত সপ্তাহে ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ার শেয়ারবাজারে ভয়াবহ দরপতন হয়। গত

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে চীনসহ বিশ্বের প্রায় অনেক দেশে হ্রাস পেয়েছে পণ্য উৎপাদন। যার ফলে গত সপ্তাহে ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ার শেয়ারবাজারে ভয়াবহ দরপতন হয়। গত

গত তিন কার্যদিবসের ধারাবাহিকতায় আজও লেনদেনের শুরুতেই বড় উত্থানের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে শেয়ারবাজারে। রবিবার ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রথম দেড় ঘণ্টায় লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান

চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে বড় দরপতন হয়েছে দেশের প্রধান দুই পুঁজিবাজারে। ব্যাংক, প্রকৌশল এবং ওষুধ রসায়ন খাতসহ বেশির ভাগ কোম্পানিরই কমেছে শেয়ারের দাম। একই সঙ্গে

পুঁজিবাজার শক্তিশালী করতে লাভজনক সরকারি সাত কোম্পানির শেয়ার ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তারপরই সরকার উদ্যোগ নিয়েছে নতুন করে তিন ব্যাংককে বাজারে আনার। এর পাশাপাশি ব্যাংকের

আবারও দরপতনের বৃত্তে আটকা পড়েছে দেশের পুঁজিবাজার। ফলে গত সাত দিনে দেশের প্রধান দুই পুঁজিবাজারে সূচক, লেনদেন ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। ফলে পুঁজি

চলতি সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে আজ মঙ্গলবার দেশের পুঁজিবাজারের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমছে। তবে এর ব্যতিক্রমে ছিল পাট খাত। এর কারণ প্রধান শেয়ারবাজার

রবিবার আগারগাঁওয়ের অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানান, সরকারি পাঁচ প্রতিষ্ঠান অতি শিগগিরই পুঁজিবাজারে আসছে।

পুঁজিবাজারের গতি ফিরতে না ফিরতেই আবারও তৎপর হয়ে উঠেছে একটি চক্র। সম্প্রতি চক্রটি ব্রোকারেজ হাউজের ট্রেডারের সাথে মিলে ‘মুজিব বর্ষ পর্যন্ত পুঁজিবাজার ভালো থাকবে’ বলে

গতি ফিরেছে শেয়ারবাজারের। মূল্য সূচকের ঊর্ধ্বমুখীতার সাথে তাল মিলিয়ে বেড়েছে শেয়ারবাজারের লেনদেনও। এই সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই)

পুুজিবাজারে টানা দরপতন চলতে থাকলেও বিদায়ী বছরের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে দেশের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে সরকারের রাজস্ব বেড়েছে ১৮