
ডেঙ্গুর ওষুধ আবিষ্কার করলো বাংলাদেশ
ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসায় কার্যকর ওষুধ আবিষ্কার করেছে বাংলাদেশি গবেষকরা। এর মাধ্যমে ডেঙ্গু রোগীর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন গবেষকরা। প্রায় ২ বছরের

ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসায় কার্যকর ওষুধ আবিষ্কার করেছে বাংলাদেশি গবেষকরা। এর মাধ্যমে ডেঙ্গু রোগীর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন গবেষকরা। প্রায় ২ বছরের

সিটি করপোরেশনের ওষুধে পানি মিশিয়ে ব্যবহারের ফলে গত বছর ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল ডেঙ্গু। সম্প্রতি চমকে ওঠার মতো এমন তথ্য ফাঁস করলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটির কাউন্সিলর

রাজধানীতে কোনভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার বিস্তার। এডিসের বংশবিস্তারের প্রায় ৪০ ভাগের উৎস নির্মাণাধীন সব ভবন। তবে সিটি করপোরেশন এডিসের উৎস ধ্বংসের

রাজধানীতে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে ডেঙ্গ রোগীর সংখ্যা। চলতি মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২১৯ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর আগে

রাজধানীতে দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গু রোগের প্রভাব। আজ বুধবার পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৮৯ রোগী। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও

ডেঙ্গু থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষা দিতে ১৩ হাজার ৪৮৯টি বাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি)। কিন্তু বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অষ্টম দিনে

যতই দিন যাচ্ছে ততই বেড়ে চলেছে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা। এডিস মশা নিয়ে বারবার সতর্ক করা হলেও আমলে নিচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। রাজধানীতে ডেঙ্গু অভিযানে বিভিন্ন নির্মাণাধীন

গেল বছর ডেঙ্গু মহামারিতে অনেক মানুষের প্রাণ হানি হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বিশ্লেষকরা ধারণা করেছিলেন চলতি বছর ডেঙ্গুর ভয়াবহতা আরও বাড়তে। তাই এ বছর আগে থেকেই

সারা দেশজুড়ে করোনার ভয়াবহতা। এর মধ্যেই নীরবে ছড়াচ্ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। রোদ বৃষ্টির এমন আবহাওয়ার মধ্যেই টব বা বাসা বাড়ির জমানো পানিতে বাড়ছে এডিস মশার লার্ভা।

করোনাভাইরাসের প্রকোপ যেতে না যেতেই আশঙ্কা শুরু হতে পারে ডেঙ্গু নিয়ে। এজন্যে করোনা প্রতিরোধ কার্যক্রমের পাশাপাশি ডেঙ্গু নিয়ে সবাইকে ভাবতে হবে। শুধু সরকার বা প্রাতিষ্ঠানিক