
নতুন বছরে খাদ্যপণ্যের স্বস্তির আভাস
নতুন বছরে সাধারণ মানুষের অন্যতম বড় প্রত্যাশা থাকে খাদ্যপণ্যের দামে স্থিতিশীলতা। সীমিত আয়ের মধ্যে পরিবার পরিচালনার জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৫

নতুন বছরে সাধারণ মানুষের অন্যতম বড় প্রত্যাশা থাকে খাদ্যপণ্যের দামে স্থিতিশীলতা। সীমিত আয়ের মধ্যে পরিবার পরিচালনার জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৫

সরকার সুইজারল্যান্ড থেকে এক কার্গো বা ৩৩ লাখ ৬০ হাজার এমএমবিটিইউ এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৫০ হাজার

দেশের পাইকারী বাজারে অস্থির গমের বাজার। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরুর পর পর বাড়তে থাকে গমের বাজার। এরপর গত মে মাসে ভারত হঠাৎ গম রপ্তানি বন্ধ করে

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন বন্দরে ৪ লাখ টন কয়েক সপ্তাহ ধরে গম ও গমজাত পণ্যের দাম বাড়ছে দেশে। এ থেকে উত্তরণে সরকার থেকে সরকারে গম রপ্তানিতে সম্মত
দেশের কৃষি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে নওগাঁ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা সাপাহার উপজেলা। এ অঞ্চলে প্রায় সব ধরণের কৃষি পণ্য উৎপাদন হয়ে থাকে। তার মধ্যে অন্যতম

গম রফতানিকারক দেশগুলোর বৈশ্বিক শীর্ষ তালিকায় তুরস্কের অবস্থান নবম। টানা পাঁচ বছর ধরে তুরস্কের গম রফতানিতে প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে। চলতি বছর শেষেও এ ধারাবাহিকতা বজায়

গম রফতানিকারকদের বৈশ্বিক শীর্ষ তালিকায় ইইউভুক্ত দেশগুলোর সম্মিলিত অবস্থান দ্বিতীয়। এদিকে দীর্ঘ চার বছরের মন্দাভাব কাটিয়ে ২০১৯ সালে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) গম রফতানি

কানাডায় টানা দুই বছরের প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় এ বছরও বাড়তে পারে গমের উৎপাদন। ২০২০-২১ অর্থবছর কানাডায় গম উৎপাদন আগের বছরের চেয়ে ৫ শতাংশের বেশি বাড়তে পারে।

দীর্ঘদিন ধরেই চীন ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে ভেতরে ভেতরে ক্ষোভ ও অবিশ্বাস তৈরি হচ্ছিল। চলতি বছরে এসে করোনা মহামারীর কারণে সেটা রীতিমতো বাণিজ্য বিরোধে রূপ নিয়েছে।

খাবারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে গম আমদানি বাড়াবে চীন। ২০২০-২১ মৌসুমে (জুলাই-জুন) চীনের গম আমদানি বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র কৃষি বিভাগ। সেপ্টেম্বর মাসের পূর্বাভাস থেকেও