
গুলশান থেকে সংসদ ভবনের পথে খালেদা জিয়ার মরদেহ
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে চিরবিদায় নিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তার মরদেহ জাতীয় মর্যাদায় শেষ শ্রদ্ধা জানানোর উদ্দেশ্যে

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে চিরবিদায় নিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তার মরদেহ জাতীয় মর্যাদায় শেষ শ্রদ্ধা জানানোর উদ্দেশ্যে

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শেষ বিদায়ে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ পরিণত হয়েছে মানুষের সমুদ্রে। দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের সাধারণ

বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী গাড়ি গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় পৌঁছায়। জাতীয় পতাকায় মোড়ানো গাড়িটি প্রবেশের মধ্য

এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ গুলশানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে হাসপাতাল ত্যাগ করার পর তাকে

বুধবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে ঢাকা মহানগরীতে বিশেষ

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) কূটনৈতিক মহলে গভীর শোক বিরাজ করেছে। রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত

বিশ্ব নেতৃবৃন্দ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা, নেতৃত্ব এবং

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শেষকৃত্য সংক্রান্ত প্রস্তুতি তদারকিতে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে পরিদর্শনে গেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। মঙ্গলবার

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর অংশগ্রহণ করবেন। আজ মঙ্গলবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই তথ্য

ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মজুমদার বাড়ির মেয়ে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে মঙ্গলবার ভোর থেকে গ্রামের স্বজন ও নেতা-কর্মীরা শোকে স্তব্ধ। দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময়