শনিবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফিক্সিং অপরাধে প্রোটিয়া পেসারের ছয় বছরের কারাদণ্ড

দক্ষিণ আফ্রিকার র‍্যাম স্ল্যাম টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের ২০১৫ সালের আসরে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সাথে জড়িত থাকার অপরাধে দেশটির পেসার পুমেলেলা মাৎশিকে’কে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই ছয় বছরের মধ্যে পাঁচ বছর স্থগিত সাজা দেওয়া হয়েছে ৩৭ বছর বয়সী এ ডানহাতি পেসারকে।

এর আগে ২০১৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডের (সিএসএ) অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের পক্ষ থেকে ছয়জন খেলোয়াড়কে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। তারমধ্যে অন্যতম ছিলেন এই পুমেলেলা মাৎশিকে। তখন প্রোটিয়া বোর্ড তাকে সবধরনের ক্রিকেট থেকে দশ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল।

গোলাম বদির পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে এই ঘটনায় কারাদণ্ড পেলেন তিনি। ২০০০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা হানসি ক্রুনিয়ের ফিক্সিং কাণ্ডের পর ২০০৪ সালে এ বিষয়ক আইন তৈরি করে। সেই আইনে দীর্ঘদিন মামলা লড়ার পর শুক্রবার ছয় বছর (পাঁচ বছর স্থগিত) কারাদণ্ড পান মাৎশিকে।

আদালাত তাকে চারটি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করেছে। যেগুলো হচ্ছে, ২০১৫ সালের র‍্যাম স্ল্যামে টাকা নিয়ে এক বা একাধিক ম্যাচ পাতানো, খেলাটির ওপর দাগ লাগানোর মতো অর্থের আদানপ্রদান, বোর্ডের অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের কাছে অর্থ লেনদেনের যথাযথ হিসেব দিতে ব্যর্থ হওয়া ও ফিক্সিংয়ের প্রস্তাবের বিস্তারিত তথ্য না দেওয়া।

বোদি-মাৎশিকে ছাড়া ২০১৬ সালে নিষেধাজ্ঞা পাওয়া অন্য ক্রিকেটাররা হচ্ছেন, থামি সোলেকিলে, জিন সাইমস, এথি বালাতি এবং আলভিরো পিটারসেন। এর আগে ২০১৯ সালে দুর্নীতির আটটি অভিযোগে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল গোলাম বদির। আর বাকিরা দুই থেকে ১২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  বিশ্বকাপের আগেই নেইমারের মুক্তি

উল্লেখ্য, জাতীয় দলের হয়ে কখনও খেলা হয়নি মাৎশিকের। ২০০৯ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ৭৭টি প্রথম শ্রেণি, ৫৭টি লিস্ট ‘এ’ এবং ২৪টি কুড়ি ওভারের ম্যাচ খেলেছেন ৩৭ বছর বয়সী এ পেসার। স্বীকৃত ক্রিকেটে সবমিলিয়ে ১৫৮ ম্যাচে মাৎশিকের উইকেটসংখ্যা ২৫০টি।

আনন্দবাজার/টি এস পি

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদটি শেয়ার করুন