আশির দশকের বিখ্যাত মুভি সিরিজ ‘ঘোস্টবাস্টার্স’। মুভির প্রধান চরিত্র বিল মুরে তার দলবল নিয়ে ভূত ধরে বেড়াতেন। কলম্বিয়া পিকচার্স সিরিজের প্রথম দু’টি ছবি প্রযোজনা করেছিল।
১৯৮৪ এবং ১৯৮৯ সালে যথাক্রমে মুক্তি পায় প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব ‘ঘোস্টবাস্টার্স’ এবং ‘ঘোস্টবাস্টার্স টু’। তবে প্রথমটি ছিলো যৌথ প্রযোজনা। সনি পিকচার্স এন্টারটেইনমেন্ট তৃতীয় সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে। কিত্নু পরিবেশক ছিলো কলম্বিয়া পিকচার্স-ই।
সিরিজের সবশেষ মুভিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রগুলোর চারজনের ঘোস্টবাস্টার্স দলের সবাই ছিলেন নারী। যেখানে অভিনয় করেছেন মেলিসা ম্যাককার্থি, ক্রিস্টেন উইগ, কেট ম্যাককিনন আর লেসলি জোন্স। এবং আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন থর খ্যাত ক্রিস হেমসওয়ার্থ।
এবার পর্দায় আসছে বহুল প্রতীক্ষিত সেই সিনেমা ‘ঘোস্টবাস্টার্স: আফটার লাইফ’। আগামী ১৯ নভেম্বর সিনেমার এই সিক্যুয়েলটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মুক্তির দিনেই বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে ছবিটি মুক্তি পাবে। একই দিনে ছবিটি মুক্তি পাবে ভারতেও।
ছবিটি চলতি বছরের জুলাইয়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা থাকলেও করোনাভাইরাসের কারণে তা স্থগিত করা হয়। আগের ছবিতে দেখা যায়, শহরে রীতিমতো ভূতেদের একটা দলের আবির্ভাব ঘটে। তাদের মোকাবিলা করতে উইগ-ম্যাককার্থি প্রোটন প্যাক নিয়ে মাঠে নামে। তার সাথে যোগ দেয় কেট ম্যাককিনন এবং লেসলি জোন্স। যাদের একজন থাকে ম্যাককার্থির সহযোগী। এবং আরেকজন থাকে সাবওয়ে-কর্মী।
একজন অবিবাহিত মা এবং তার দুটি বাচ্চাকে কেন্দ্র করে এবারের ছবির গল্প আবর্তিত হয়েছে। যারা একটি ছোট শহরে এসে আসল ভূতবাসীর সাথে সংযোগ তৈরি এবং তাদের দাদার রেখে যাওয়া গোপন সম্পত্তির উত্তরাধিকার আবিষ্কার করতে শুরু করে।
সিনেমাটির প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব ‘ঘোস্টবাস্টার্স’ এবং ‘ঘোস্টবাস্টার্স টু’ ছবিগুলোতে মুরে, ড্যান আইক্রয়েড এবং হ্যারল্ড রামিসকে ভূত শিকার করে এমন প্যারাসাইকোলজি অধ্যাপক হিসাবে দেখানো হয়েছিল। নতুন এই সিক্যুয়েলটিতেও অভিনয় করেছেন সিগর্নি উইভারসহ মারে এবং আইক্রয়েড।
ফিরে আসা অভিনেতার মাঝে আরও রয়েছেন অ্যানি পটস ও এরনি হাডসন। এবং নতুন যুক্ত হয়েছেন অভিনেতা পল রুড, ক্যারি কুন, ফিন উলফহার্ড ও ম্যাককেনা গ্রেস।
আনন্দবাজার/ টি এস পি

