মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেন জয়ী হওয়ায় তাকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা। তবে বাইডেনের জয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন হারানোর শঙ্কায় পড়ে গেছে তাইওয়ান।
তবে এ বিষয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট টিসাই ইং-ওয়েন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বলেন, মার্কিন নির্বাচনের ফল যাই হোক না কেন, সম্পর্কগুলো পরিবর্তন হবে না। এবং আমরা তাইওয়ান-মার্কিন সম্পর্ককে আরও গভীর করব।
চীনের অব্যাহত আগ্রাসনবাদী আচরণের বিরুদ্ধে তাইওয়ান ইস্যুতে নিজের থেকেই বারবারই সোচ্চার হয়েছেন ট্রাম্প। সেজন্য তাইওয়ানবাসীর কাছে বেশ জনপ্রিয় ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এর আগে ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জেতার পর ট্রাম্প তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর দুই দেশের সম্পর্ক অনেক দৃঢ় হয়।
২০১৭ সালে এসে ট্রাম্পের প্রশাসন তাইওয়ান ভ্রমণ আইন পাস করে। যা যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের কর্মকর্তাদের মধ্যে সরকারি সফরের মাধ্যমে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে উৎসাহিত করে।
ওই আইনের বদৌলতে চলতি বছরের শুরুর দিকে মার্কিন স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিষয়ক মন্ত্রী আলেক্স আজারের স্থল-ভ্রমণের পথ তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প থাকাকালীন তাইওয়ানের কাছে ১৫বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া আরও সাত বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেওয়া আছে। সেসবের মধ্যে রয়েছে ড্রোন, যুদ্ধবিমান।
আনন্দবাজার/টি এস পি

