চুল পড়ার সমস্যা নিয়ে খুব হতাশায় থাকেন সবাই। চুল পড়ে পাতলা হয়ে যাচ্ছে, এমনকি টাকও হচ্ছে। কিন্তু কোন কিছু করেই বন্ধ হচ্ছে চুল পড়া। তাই এর সমাধান পেতে সবার আগে দরকার চুল পড়া রোধ করা। তবে চুল পড়ার তাৎক্ষণিক কোন চিকিৎসা নেই। কিন্তু দৈনিক খাদ্যাভাস, জীবনযাপন পদ্ধতি চুল পড়া অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে।
ডায়েটে কিছু নিয়মে পরিবর্তন আনা:
অনেক সময় ডায়েট করার কারণে চুল পড়ে। তাই খাবারের ভারসাম্য বজায় রাখলে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই মাছ, মাংস, বাদাম, শাক-সবজি রাখতে হবে। এছাড়া প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে ভিটামিন এ, বি ও বিটা ক্যারোটিন জাতীয় মাল্টিভিটামিন গ্রহণ করতে হবে।
ধূমপান বাদ দেওয়া:
ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। ফলে এই অভ্যাস বাদ দিলেই শরীরের অনেক সমস্যা এমনিতেই সমাধান হয়ে যাবে। এ ছাড়া চুল পড়াও অনেকাংশে কমে যাবে। ধূমপান চুলের ভিতর থেকে ক্ষতি করে এবং চুলের বৃদ্ধিও ব্যাহত করে।
রোদ থেকে চুলকে রক্ষা করা:
সূর্যের ক্ষতিকর বেগুণী রশ্মি চুলের ব্যাপক ক্ষতি করে। অতিরিক্ত রোদে চুল একেবারেই রুক্ষ হয়ে যায় এবং সেই সাথে চুলে প্রোটিনেরও অনেক ঘাটতি দেখা যায়। তাই রোদ থেকে চুলকে রক্ষা করতে হলে টুপি বা স্কার্ফ ব্যবহার করলে ভালো।
মানসিক অবসাদ:
চুল পড়ার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে মানসিক অবসাদ। দুশ্চিন্তার কারণে বেশি চুল পড়ে এবং সেই সাথে নতুন চুল গজানোও কমে যায়। তাই মানসিক চাপ কমাতে প্রতিদিন মেডিটেশন করা যেতে পারে।
চুলে স্ট্রেইটনারের ব্যবহার:
চুলে ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতির ব্যবহার চুলকে ব্যাপক রুক্ষ করে তোলে। ব্লো ড্রায়ারস, স্ট্রেইটনার অতিরিক্ত ব্যবহার করলে চুল পড়া বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিন এগুলো ব্যবহার করলে চুল আস্তে আস্তে পাতলা হয়ে যায়। তাই নিয়ম মেনে এগুলা ব্যবহার করতে হবে।
আনন্দবাজার/এইচ এস কে

