দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় বিগত বছরের সব রেকর্ড ভেঙে চলতি মৌসুমে পাটের উৎপাদন বেশি হয়েছে। সেইসাথে এবার বাজারে পাটের মূল্য তুলনামূলক বেশি পাওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে। বাজারে পাটের ন্যায্য মূল্য পেয়ে খুশি এলাকার পাট চাষীরা।
উপজেলা কৃষি অফিসস‚ত্রে জানা যায়, চলতি খরিপ-১ মৌসুমে বিরামপুর উপজেলায় মুকুন্দপুর, কাটলা, জোতবানী, পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন মাঠের ২০০ হেক্টর জমিতে প্রায় ৩ হাজার ৩৫০ জন কৃষক পাট আবাদ করেছেন। এসব জমিতে ও-৯৮৯৭, জলভ্যালী এবং রবি-১ জাতের পাট আবাদ হয়েছে।
উপজেলার বিভিন্ন বাজারে পাটের আড়ত ঘুরে দেখা যায়, ভালো মানের প্রতিমণ পাট ২৫শ থেকে ২৬শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাটের ন্যায্য ম‚ল্য পেয়ে হাসিমুখে বাড়ি ফিরছেন পাটচাষীরা। জমি চাষ থেকে শুরু করে শুকনা পাট স্থানীয় হাটে পৌঁছা পর্যন্ত বিঘাপ্রতি প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আর বিক্রি হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। খরচ বাদ দিয়ে বিঘাপ্রতি জমির পাট বিক্রি করে ১৫ হাজার টাকা লাভ হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিকছন চন্দ্র পাল বলেন, চলতি মৌসুমে বিরামপুর উপজেলায় ১৯০ হেক্টর জমিতে পাট আবাদের লক্ষমাত্রা ছিল এবং ২০০ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ হয়েছে। খরিপ-১ মৌসুমে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষককের মাঝে সরকারি প্রণোদনা হিসেবে রবি-১ জাতের পাটবীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।
কৃষি কর্মকর্তা আরো বলেন, এবছর উপজেলায় পাটের আবাদ ভালো হয়েছে। সেইসাথে এবারে বাজারে পাটের দাম ভালো পাওয়ায় আগামীতে পাটচাষে অন্যান্য কৃষকের আগ্রহ বাড়বে।
আনন্দবাজার/শহক

