ঢাকা | শুক্রবার
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শ্রীমঙ্গলের খাসিয়া পুঞ্জিতে আঙ্গুর চাষে সফলতা

অনেকটা শখের বশে আঙ্গুরের চারা ক্রয় করে নিজের আঙ্গিনায় লাগিয়েছিলেন খাসিয়া যুবক কেমন পডুয়েং। তার লাগানো আঙ্গুর গাছে ৩বছর পর ফল ধরেছে। তার ভাবনা চেষ্টা করলে তার গ্রামে(পুঞ্জি) এ ফলের চাষ সম্ভব। এখন শুধু প্রয়োজন কৃষি বিভাগের যথাযথ পরামর্শ ও সহায়তা।

তিনি বলেন, দেশে এখন করোনার মহামারি চলছে, হাজার হাজার যুবক গৃহবন্দি জীবন কাটাচ্ছেন। এসময়টা পতিত জমি ও পাহাড়ি এলাকায় সাথী ফসল হিসেবে দেশীয় নানা ফল ও শাক সবজি চাষ করা যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মতো জেলা উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি দপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিলে পাহাড়ে আমরা কৃষি বিপ্লব ঘটিয়ে দেশকে সমৃদ্ধ করতে পারি। সাথে সাথে নিজেরাও সাবলম্বি হয়ে ওঠতে পারি।

তিনি আরও বলেন, শমশেরনগর নার্সারি থেকে সংগ্রহ করে, আঙুর চাষ করার ২ বছর পর গাছে ফল আসলেও তা ছিল বেশ টক। এ ফলের চাষ সম্পর্কে ধারণা না থাকায় আঙ্গুরগুলো টক হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পরামর্শ পেলে ফলন ভাল হবে, আর বিক্রি করা সম্ভব। প্রশিক্ষণ পেলে তার দেখাদেখি আরো অনেকেই এ চাষে আগ্রহী হবেন। বর্তমানে খাসিয়া পুঞ্জির মানুষগুলো পান চাষের পাশাপাশি, সুপারি, লেবু, কাঁঠাল, আনসার, কলা, নাগা মরিছ, সাতকরা ও মালটা চাষ নতুন করে শুরু করেছে।

খাসিয়া যুবকরা বলেন, শ্রীমঙ্গলের উপজেলা নির্বাহী অফিসার নজরুল ইসলাম ও উপজেলা কৃষি অফিসারের সহযোগিতায় পুঞ্জিতে বিভিন্ন চাষ শুরু হয়েছে। প্রশাসনের আরও সহায়তা পেলে পাহাড়ের জমিতে ফসলের বিপ্লব ঘটানো সম্ভব।

আনন্দবাজার/শাহী

সংবাদটি শেয়ার করুন