পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও দাম বেড়েছে আদার। ৯০ টাকা থেকে দাম বেড়ে ৩৬০ টাকা হয়েছে এই মশলা পণ্যের দাম। করোনা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে এই ভোগপণ্যের।
আদা দিয়ে গরম চা খেলে করোনা ভালো হয়, এই তথ্যের ভিত্তিতে দাম বেড়েছে আদার। খাতুনগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের মুখে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা লাগিয়ে দিয়ে পালিয়ে গেছে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা। আমদানিকারকদের তালিকা নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট দোকান এবং গুদামে গুদামে ঘুরছেন। তালিকায় যাদের নাম আছে বাজারে তাদের কোনো অস্তিত্বই মিলছে না। এবং বাকিরা দোকান বন্ধ করে চলে যাচ্ছেন।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলী হোসেন বলেন, পেঁয়াজ, রসুন আদার এ তিন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েছে। বাজার মনিটরিংয়ে আমরা কাজ করছি।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নিবাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগে দোকানগুলোর কাগজপত্র খতিয়ে দেখছি।
আনন্দবাজার/ টি এস পি
