ঢাকা | শুক্রবার
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অবৈধপথে যুক্তরাজ্যে ঢুকেছে ৪০ হাজারের বেশি অভিবাসী

অবৈধপথে যুক্তরাজ্যে ঢুকেছে ৪০ হাজারের বেশি অভিবাসী

চলতি বছর ছোট ছোট নৌকায় ৪০ হাজারেরও বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী ইংলিশ চ্যানেল দিয়ে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করেছে। রোববার এক বিবৃতিতে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ২০২০ সালে এ পথ ধরে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করার শরণার্থীর সংখ্যা ছিল ৮ হাজারের কিছু বেশি। তারপরের বছর ২০২১ সালে এই সংখ্যা তিন গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়ে পৌঁছায় ২৮ হাজার ৫২৬ জনে। অর্থাৎ প্রতি বছরই দ্বিগুণ-তিনগুণ হারে বাড়ছে অনুপ্রবেশ করা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সংখ্যা, বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

এসব অভিবাসনপ্রত্যাশীদের দক্ষিণ ইংল্যান্ডের কিছু আশ্রয়কেন্দ্র এবং হোটেলে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে। নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতেও বলা হয়েছে। ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এসব অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মাত্র ৪ শতাংশ নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছেন।

আকার-আয়তনে বিশ্বের অন্যান্য সাগরের তুলনায় ছোট হলেও যাতায়াতের পথ হিসেবে বেশ বিপজ্জনক ইংলিশ চ্যানেল। ভৌগলিক কারণেই বছরের অধিকাংশ সময়ে ঝড়ো আবহাওয়া থাকে এ সাগরে।

ইংলিশ চ্যানেল নামের ছোট ও সংকীর্ণ একটি সাগরইউরোপের মূল ভূখন্ডস্থিত দেশ ফ্রান্স থেকে যুক্তরাজ্যকে পৃথক করেছে। এই সাগরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৬২ কিলোমিটার ও প্রস্থ স্থানভেদে সর্বোচ্চ ২৪০ কিলোমিটার থেকে সর্বনিম্ন ৩৪ কিলোমিটার।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেছেন, অবৈধ অভিবাসী অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে দুই দেশের মধ্যকার সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বাড়ানো প্রয়োজন বলে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন দুই দেশের সরকারপ্রধান।

চলমান জাতিসংঘের কপ ২৭ জলবায়ু সম্মেলনের অবসরে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মধ্যে ইংলিশ চ্যানেলে নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি ও টহল বাড়াতে বৈঠক হয়েছে বলেও জানা গেছে।

আনন্দবাজার/কআ

সংবাদটি শেয়ার করুন