ঢাকা | শুক্রবার
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রোজা ভেঙে যায় যেসব কারণে

রোজা ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ এবং প্রধান ইবাদত। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যে সুবহে সাদেক থেকে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার এবং ইন্দ্রিয় তৃপ্তি থেকে বিরত থাকাই হচ্ছে রোজা। ইসলামী শরীয়া মতে রোজা রাখার পর কিছু কাজ করলে রোজা ভেঙে যেতে পারে। তাই রোজা রেখে কিছু বিষয় মেনে চলতে হবে।

চলুন জেনে নেই যেসব কারণে রোজা ভাঙে-

  • কুলি করার সময় অনিচ্ছায় গলার ভেতর পানি প্রবেশ করলে।
  • প্রস্রাব-পায়খানার রাস্তা দিয়ে ওষুধ বা অন্যকিছু শরীরে প্রবেশ করালে।
  • রোজাদারকে জোর করে কেউ কিছু খাওয়ালে।
  • রাত অবশিষ্ট আছে মনে করে সুবহে সাদেকের পর পানাহার করলে।
  • ইফতারের সময় হয়েছে ভেবে সূর্যাস্তের আগে ইফতার করলে।
  • মুখ ভরে বমি করলে।
  • সহবাস করলে। সেক্ষেত্রে স্ত্রীর শুধু কাজা করতে হবে এবং স্বামীর কাজা-কাফফারা দু’টোই করতে হবে।
  • ভুলবশত কোনো কিছু খেয়ে রোজা ভেঙে গেছে ভেবে ইচ্ছা করে আরও কিছু খেলে।
  • বৃষ্টির পানি মুখে পড়ার পর তা খেয়ে ফেললে।
  • কান বা নাক দিয়ে ওষুধ প্রবেশ করালে।
  • জিহ্বা দিয়ে দাঁতের ফাঁক থেকে ছোলা পরিমাণ কোনো কিছু বের করে খেয়ে ফেললে।
  • অল্প বমি মুখে আসার পর ইচ্ছাকৃতভাবে তা গিলে ফেললে।

এ সকল কারণে রোজা ভেঙ্গে যায়। কিন্তু এরপর কোনো খানাপিনা করা যাবে না। সারাদিন রোজার মতোই থাকতে হবে। এরূপ রোজার কাজা করা ওয়াজিব।

রোজার কাজা এবং কাফফারা কী?

রোজার কাজা হচ্ছে ভেঙে যাওয়া বা ভেঙে ফেলা রোজার প্রতিবিধান হিসাবে শুধু রোজা আদায় করা। তবে অতিরিক্ত কিছু আদায় না করা। অপর দিকে রোজার কাফফারা হলো প্রতিবিধান হিসাবে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ আদায় করা। সেটি হচ্ছে ক্রীতদাস স্বাধীন করা বা দুই মাস ধারাবাহিকভাবে রোজা রাখা অথবা ৬০ জন মিসকিনকে খাবার খাওয়ানো। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৯৩৬)

আনন্দবাজার/টি এস পি

সংবাদটি শেয়ার করুন