মঙ্গলবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লা মুরাদনগরে যানজট নিরসনে উচ্ছেদ অভিযান

কুমিল্লা মুুরাদনগরে যানজট ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ার লক্ষ্যে কুমিল্লা টু সিলেট হাইওয়ে রোডে ও নবীনগর টু কোম্পানীগঞ্জ রোডের, ফুটপাত ও ফুটপাতের উপরে হকার ও অটোরিকশা দারিয়ে থেকে দখল করা যায়গা দখলমুক্ত করতে, উচ্ছেদ অভিযান আব্যাহত রেখেছে মুুুুরাদনগরে উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা অবিসেক দাস।

কুমিল্লা টু সিলেট হাইওয়ে রোডে কোম্পানীগঞ্জ বাজারে ঘন্টার পর ঘন্টা লেগে থাকে যানজট, এতে দুরপাল্লার যাত্রী, চাকুরীজীবি, ব্যবসায়ী ও স্বাধারন জনগের ভোগান্তি হচ্ছে, এ নিয়ে কোম্পানীগঞ্জ বাজারের যানজট নিরসনে ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে মুরাদনগরের প্রশাষন।

প্রিতিদিনই উপজেলার কোথাও না কোথাও অভিযান করছে। কে কত বড় প্রভাবশালী সেটা দেখার বিষয় নয়, রোডের পাশে,সরকারী জায়গায় অবৈধ স্থাপনা যারাই নির্মান করছে, তাদের সেই অবৈধ স্থাপনাই ধ্বংস করা হচ্ছে। অসহায় হকারদের জীবনমান দেখার পাশাপাশি রাস্তার জনগনের চলাচল নির্বিগ্ন করতে অভিযান করে দখলমুক্ত করা হচ্ছে ফুটপাত। অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে এমনিতেই নাকাল নগরবাসী,তার উপর ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় চলাচলে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারন জনগনকে। তাই জনগনের চলাচল সুবিধার্থে এ উচ্ছেদ অভিযান। ইতিমধ্যেই এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে নগরবাসী। যাদের উপর দায়িত্ব ছিল পরিচ্ছন্ন নগরায়নে, তাদের সহযোগিতায় ১৪ নং নবীপুর ইউনিয়নের দক্ষিন ও পুর্ব পাশের এবং অটোমোোবাইল মার্কেটের সামনের পার্কিং এলাকা উচ্ছেদ করে সিএনজি ও অটোরিকশা পার্রকিং স্থান করেন।

কোম্পানীগঞ্জের কলেজ রোড থেকে ইসলামি ব্যাংক পর্যন্ত এবং কোম্পানীগঞ্জ বাজারের চৌরাস্তা থেকে নবীনগর রোডের নগর পাড় পর্যন্ত, গতকাল সকাল ১১ টা থেকেই নগরীর ব্যাস্ততম এলাকা প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকা ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। এ উচ্ছেদ অভিযানে পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাষন। সহযোগিতায় ছিলেন,মরাদনগর থানার অফিসার ইন্চার্জ সাদেকুর রহমান, ১৫ নং নবীপুুুর পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন,১৪ নং নবীপুর ইউনিয়ন চেয়াারম্যান আবুল খায়ের, কোম্পানীগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির সভাপতি হাবিবুর রহমান, কোম্পানীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম ফসিউল হক, জাহাঙ্গীর,
সিএনজি মালিক সমিতির পক্ষে সুজন মেম্বার, সহ আরো অনেকে।

আরও পড়ুনঃ  মাঠ জুড়ে কচুরিপানা; কুমিল্লায় বোরো আবাদ ব্যাহত

পথচারী আব্দুল সালাম জানান, একদিন অভিযান করে গেলে আর কোন খবর রাখা হত না,এখন প্রতিদিনই অভিযান অব্যাহত থাকায়,জনমনে ধারনা জম্মেছে,যে ইচ্ছে করলেই কেউ ম্যাজিষ্ট্রেট যাবার পরই আবার দখল করতে পারবে না।

এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান মুরাদনগরের নির্বাহী কর্মকর্তা অবিশেক দাস। তিনি আরো জানান, প্রতিদিনই সচেতনতার পাশাপাশি উচ্ছেদ করে ইতিমধ্যে অনেকাংশই ফুটপাত দখলমুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি।সকলের সহযোগিতা পেলে ফুটপাত দখলমুক্ত ও যানজট নিরসনে সক্ষম হব।এ জন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

আনন্দবাজার/শাহী/বাশার

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদটি শেয়ার করুন