সম্প্রতি মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল ৬টা থেকে লৌহজং চায়না চ্যানেল দিয়ে এ ফেরি চলাচল শুরু হয়। এর আগে গত শুক্রবার বিকালে শিমুলিয়া ঘাট থেকে ফেরি কাকলি এবং পরে কাঁঠালবাড়ী ঘাট থেকে ক্যামেলিয়া এবং কাকলি ছেড়ে গিয়ে শিমুলিয়া ঘাটে পৌঁছালে আবার ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
শিমুলিয়া ঘাটের বিআইডব্লিউটিসি’র সহকারী উপমহাব্যবস্থাপক (এজিএম) শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গতকাল শনিবার সকাল থেকে এ নৌরুটে ছোট ও কে-টাইপ মিলিয়ে পাঁচটি ফেরি চলাচল করছে। তবে শিমুলিয়া ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে শতাধিক যানবাহন।
তিনি আরও বলেন, অনেক দিন ধরে এ রুটে নাব্য সংকট, প্রবল স্রোত, চ্যানেল বিপর্যয় ও পাড় ভাঙনের কারণে ফেরি চলাচলে কখনও বন্ধ আবার কখনও চালু করা হচ্ছে। এতে দক্ষিণবঙ্গের মানুষের দুর্ভোগের যেন শেষ নেই। প্রসঙ্গত, গত ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় শিমুলিয়া ৩ নম্বর ঘাট এলাকায় দেখা দেয় পদ্মার আকস্মিক ভাঙন। এলাকায় ভাঙন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ফেলা অব্যাহত রেখেছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। তবে এ নৌরুটে ৮৭টি লঞ্চ ও চার শতাধিক স্পিডবোট চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
গত ১২ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল শুরু হয়। কিন্তু রাতে আবার বন্ধ রাখা হয়। পরে ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে এ রুটের ফেরি চলাচল অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। তবে ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর বিকল্প দূরপাল্লার চ্যানেল পালেরচর দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে দু’দিন দুটি ফেরি ছেড়ে যায়। পরে আবার ১৭ সেপ্টেম্বর বন্ধ থাকে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকালে আবারও পরীক্ষামূলকভাবে শিমুলিয়া ঘাট থেকে ফেরি কাকলি ও পরে কাঁঠালবাড়ী ঘাট থেকে ফেরি ক্যামেলিয়া ও কাকলি ছেড়ে গিয়ে শিমুলিয়া ঘাটে পৌঁছালে আবার ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে।
আনন্দবাজার/এইচ এস কে




