বুধবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোনার সর্বোচ্চ করোনা রোগীর সংখ্যা কেন্দুয়ায়, ৮৫জন

নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়ায় সরকারি বিধি নিষেধ অনেকেই না মানায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই জেলার সর্বোচ্চ করোনা রোগীর সংখ্যা কেন্দুয়ায় ৮৫জন।

প্রতিদিন করোনা বিস্তার রোধে উপজেলা প্রশাসন,স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ পুলিশ প্রশাসন প্রতি মূহুর্তে মানুষকে সচেতন মূলক বার্তা,শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে চলা, সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়া, মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করা, বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের না হওয়ার জন্য উপজেলা জুড়ে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে গেলেও তা কোন ভাবেই তোয়াক্কা করছেনা অনেকেই।

তাই দিন দিন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

শনিবার (৬জুন) রাতে নেত্রকোনা জেলা সিভিল সার্জন অফিস সুত্রে জানা যায়, কেন্দুয়া উপজেলায় একদিনে দুই স্বাস্থ্যকর্মীসহ অরো নতুন ৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলায় করোনা রোগী শনাক্ত ৮৫ জন। যা নেত্রকোনার জেলার সর্বোচ্চ করোনা রোগী শনাক্ত উপজেলা কেন্দুয়া।

তার মধ্যে ইউএনও, ওসিসহ ১৬ জন সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন।

এছাড়া ১৫ জন উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যান্য হাসপাতালে চিকিৎধীন রয়েছে বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃক গঠিত টিমের ডাক্তার সাহেদ হাসান শাওন।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক লিয়াকত অালী চৌধুরী কাজল বলেন,উপজেলার সর্বত্রই সরকারি বিধি নিষেধ অমান্য করে সাধারণ মানুষ জীবনের চাইতে জীবিকাকে প্রাধান্য দিচ্ছে বেশি।

তাই পাড়া মহল্লা থেকে শুরু করে হাট বাজার,বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান,খাবার হোটেল,চায়ের স্টল,
এমনকি সিএনজি,অটোরিকশায়ও সামাজিক দুরত্ব বজায় না রেখেই মানুষ অবাধে চলাফেরা করছে।

আরও পড়ুনঃ  বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কার পাচ্ছেন ৪৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

ফলে করোনার ঝুঁকিতে পড়ছে সেবাকর্মী,চিকিৎসক,নার্স, প্রশাসনিক কর্মকর্তা কর্মচারী, বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারী ও সচেতন নাগরিকরা।

এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অাল ইমরান রুহুল ইসলাম,সহকারী কমিশনার (ভূমি) খবিরুল অাহসান, অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান,
স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডাঃ হাসির আহসান, প্রতিদিনই মানুষকে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে চলা,সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়া, মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করা,বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের না হওয়ার জন্য প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এর পরে ও মানুষকে সঠিক নিয়মে সচেতন করা যাচ্ছে না।

আনন্দবাজার/শাহী

Print Friendly, PDF & Email

সংবাদটি শেয়ার করুন