করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বিভিন্ন এলাকায় তিনটি রঙে চিহ্নিত করে বিধিনিষেধ আরোপের ক্ষেত্রে সংক্রমণের দ্রুততাকে মূল মাপকাঠি হিসেবে গণ্য করার পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
করোনাভাইরাস ঠেকাতে রাজধানী ঢাকাসহ পুরো দেশে বিভিন্ন এলাকাকে লাল, হলুদ ও সবুজ এই তিনটি রঙে চিহ্নিত করে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। করোনা সংক্রমণের তীব্রতাকেই জোন চিহ্নিত করার প্রধান মাপকাঠি হিসেবে ধরতে পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
পাশাপাশি জোন অনুসারে যানবাহন ও সর্বসাধারণের চলাচল নিষিদ্ধ ও সীমিত করতে হবে। একইভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ রাখা থেকে শুরু করে কখনো সীমিত আবার কখনো পুরোদমে চালু রাখার পরামর্শ দিয়েছে তারা।
লাল চিহ্নিত এলাকায় কোনো প্রকার যানবাহন চলাচল করবে না। পাশাপাশি সর্বসাধারণের চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে। জরুরি খাদ্য ও ওষুধ ছাড়া সবধরনের দোকান বন্ধ রাখতে হবে।
হলুদ চিহ্নিত এলাকায় সীমিত আকারে যানবাহন ও সর্বসাধারণের চলাচল থাকবে। বিশেষ প্রয়োজনের বাইরে অফিস-আদালত খোলা রাখা যাবে না।
আর সবুজ চিহ্নিত এলাকার সকল কার্যক্রম চলবে। তবে মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব। এক রঙের এলাকা থেকে অন্য রঙের এলাকায় যাওয়া আসাও পুরোপুরি বন্ধ রাখতে হবে বলেও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
আনন্দবাজার/তা.তা