জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনি জোটে থাকা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি সমঝোতা আসনের মধ্যে ২৭টিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। বাকি তিন আসনে শিগগিরই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে বলে দলটি জানিয়েছে। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ২৭টি আসনে প্রার্থীদের নাম ও ছবিসহ পোস্টার প্রকাশ করা হয়। এতে ওই প্রার্থীদের ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে ভোট চাওয়া হয়েছে।
এর আগে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, তারা মোট ৪৭টি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। কিছুটা বাড়িয়ে সাবমিট করা হয়েছে; অনেক মনোনয়নপত্র বাতিল হতে পারে বা ভুলত্রুটি থাকতে পারে। এই বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত করে নেওয়া হবে যে এনসিপি কতটি আসনে প্রার্থী দেবে।
চূড়ান্ত হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ঢাকা–১১ আসনে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, রংপুর–৪ আসনে সদস্যসচিব আখতার হোসেন, কুমিল্লা–৪ আসনে দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, পঞ্চগড়–১ আসনে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, ঢাকা–৮ আসনে মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও নোয়াখালী–৬ আসনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ নির্বাচন করছেন। এছাড়া ঢাকা–১৮ আসনে আরিফুল ইসলাম আদীব, লক্ষ্মীপুর–১ আসনে মাহবুব আলম, সিরাজগঞ্জ–৬ আসনে এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, নারায়ণগঞ্জ–৪ আসনে আবদুল্লাহ আল আমিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে মাওলানা আশরাফ মাহদী, চট্টগ্রাম–৮ আসনে জোবাইরুল হাসান আরিফসহ আরও অনেকে প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশে সংবাদ সম্মেলনে ২৫৩টি আসনে নির্বাচনী সমঝোতার ঘোষণা দেয় জামায়াত, এনসিপিসহ ১০টি দল। এই জোটে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের থাকার কথা থাকলেও তারা অংশ না নিয়ে এককভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচন করার ঘোষণা দেয় এবং বাকি ৩২ আসনে অন্যদের সমর্থন দেয়ার কথা জানায়।
এ নির্বাচনী ঐক্যের শরিক হিসেবে এনসিপি ৩০ আসনে অংশ নিচ্ছে, যদিও তাদের ৪৭ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ইসলামী আন্দোলন জোট ছাড়ার পর এনসিপি তাদের আসন বাড়াতে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনাও শুরু করেছে।




