নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ইনিংস শুরুটা ছিল বেশ ধীর এবং উদ্বেগজনক। প্রথম ১০ ওভারে তারা কোনো ফিফটিও করতে না পারলেও দলীয় ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৪৭ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। অর্থাৎ ইনিংসের অর্ধেক কাটলেও তাদের রানের গতি ছিল অত্যন্ত কম এবং উইকেটও হারিয়েছিল দুইটি—যা তৎক্ষণাৎ উদ্বেগ সৃষ্টি করেছিল।
কিন্তু এরপরই দলটি মাঠে ফিরে এসে একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপ দেখিয়েছে। এরপর থেকে আর কোনো উইকেট হারাতে হয়নি তাদের এবং ব্যাটিং লাইনআপ ধারাবাহিকভাবে রান সংগ্রহ করে দলকে আবার রিজার্ভ করে তুলেছে।
ইতোমধ্যে বিপিএলে বিদায় নিশ্চিত করা নোয়াখালী এক্সপ্রেস রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে একটি লড়াকু স্কোর গড়ে ১৭৩ রান করেছে, যা টার্গেট তাড়া করতে রংপুরের জন্য যথেষ্ট চাপ তৈরি করবে।
ম্যাচের সবচেয়ে বড় স্মরণীয় মুহূর্ত ছিল হাসান ইসাখিলের দুর্দান্ত ব্যাটিং—তিনি প্রথম আফগানিস্তানি ব্যাটার হিসেবে বিপিএলে সেঞ্চুরি করেছেন। তার এই ইনিংস নোয়াখালীর জন্য বড় সুবিধা এনে দিয়েছে এবং দলের সম্ভাব্য জয় সম্ভাবনাও অনেকটাই বেড়েছে।
এভাবে ধীর শুরু থেকে ধীরে ধীরে গতিতে ওঠা এবং শেষ পর্যন্ত ১৭৩ রানের শক্তিশালী স্কোর গড়া—নোয়াখালী এক্সপ্রেসের এই লড়াই নিঃসন্দেহে এবারের ম্যাচের বড় ঘটনা।




