ঢাকা | বৃহস্পতিবার
২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ছিল গণতন্ত্রের প্রতীক: মঈন খান

বেগম খালেদা জিয়া একজন প্রকৃত রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন জানিয়ে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, তার চিন্তা, কাজ, দক্ষতা এবং সর্বোপরি মানুষের প্রতি ভালোবাসাই তাকে এ উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আইনজীবী অ্যাসোসিয়েশন ও বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ আয়োজিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত শোকসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মঈন খান বলেন, আজকে আপনারা আমাকে যার সম্পর্কে বলার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, তার বিষয়ে বলার যোগ্যতা আমার আছে কি না তা নিয়েই আমি ভাবছিলাম।বেগম খালেদা জিয়ার বিশাল ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, উদার মানসিকতা এবং বাংলাদেশের মানুষের প্রতি তার অপরিসীম ভালোবাসার কথা বলতে গেলে দিনের পর দিন কথা বলেও শেষ করা যাবে না।

খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে বিএনপির এই নোত বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার কথা বলতে গেলে অনেক সময় আমরা বাকরুদ্ধ হয়ে যাই। তার শূন্যতা ও অবদান স্মরণ করলে কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসে। আজ আমরা কিভাবে আমাদের অনুভূতি প্রকাশ করব, সেটাই যেন জানি না।

মঈন খান বলেন, ১৯৯১ সালের নির্বাচনের প্রেক্ষাপট ছিল বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। ৯০-এর গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বৈরশাসকের পতনের পর বেগম খালেদা জিয়া আপসহীন নেত্রী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালের নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সে সময় অনেকেই সমালোচনা করলেও পরবর্তীতে প্রমাণিত হয়, তার সিদ্ধান্তই ছিল সঠিক। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জনগণ তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা বলেন, তিনবার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। একটি দিনও তিনি আমাকে কোনো নির্দিষ্ট কাজের নির্দেশ দেননি। সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। এটাই ছিল তার গণতন্ত্রচর্চার প্রকৃত উদাহরণ।

মঈন খান বলেন, একজন সিনিয়র সচিবকে মন্ত্রণালয়ে দেওয়ার আগে তিনি মন্ত্রীর মতামত জানতে চেয়েছিলেন, যা তার নেতৃত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত।

শোকসভায় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন