আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে তারা এ দাবি জানান।
“চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থীবৃন্দ” ব্যানারে আয়োজিত এই সমাবেশে শিক্ষার্থীরা একাধিক দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে সব সরকারি চাকরিতে মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করে নম্বরসহ ফলাফল প্রকাশ, পিএসসি পরিচালনায় ব্যর্থতার দায় নিয়ে কমিশনের চেয়ারম্যান মোবাশ্বের মোনেমের পদত্যাগ, পিএসসির গুণগত সংস্কার, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা গ্রহণ, নন-ক্যাডার বিধিমালা সংশোধন এবং প্রশ্নফাঁস রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।
সমাবেশের শুরুতে বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে শিক্ষার্থীরা জড়ো হন। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে তারা শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে গিয়ে সমাবেশ করেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিসিএস পরীক্ষার্থী জালাল আহমদ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মোজাম্মেল হক মিয়াজী, জুলাইযোদ্ধা আমানুল্লাহ ফারাবী, জুলাইযোদ্ধা জীবন আহমেদ, সজিব, সাদিকুজ্জামান সাদিক, এনামুল হক জমিদারসহ অনেকে।
বক্তব্যে ঐতিহাসিক ২০১৮ ও ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের আইন ও আদালত সেলের প্রধান সমন্বয়ক জালাল আহমদ বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। তিনি বলেন, “তরুণ প্রজন্ম দীর্ঘদিন পর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছে। তাই আমরা এই নির্বাচন নির্বিঘ্নে উপভোগ করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, পিএসসিকে একটি কার্যকর, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হলে অবিলম্বে কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন এবং প্রশ্নফাঁসের মতো অনিয়ম বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।




