দলীয় পুলিশ হিসেবে গড়ে ওঠা পুলিশকে আবার স্বমহিমায় দাঁড় করাতে চেষ্টার কোনো কমতি নেইবলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর রেঞ্জের বিভিন্ন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিশেষ কল্যাণ সভা করার পর রংপুর পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
জুলাই আন্দোলনে পুলিশের ভূমিকার প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, গত ১৫ বছরে পুলিশ দলীয় পুলিশ হিসেবে গড়ে উঠেছিল। আমরা অনেক গণবিরোধী কাজ করেছি, পুলিশের যারা লোভী, দলকানা কিছু নেতৃবৃন্দ এবং সদস্যের কারণে আমাদের ওপরে যে দায়ভার এসেছে, এগুলো থেকে বেরিয়ে এসে বাংলাদেশ পুলিশকে আবার স্বমহিমায় দাঁড় করানো, তাদের মনোবল বৃদ্ধি করে তাদেরকে আবার তাদের কাজে ফিরিয়ে আনা এই গত এক বছরে আমরা এটা চেষ্টা করেছি। আমরা বলবো না আমরা শতভাগ সফল হয়েছি, তবে আমাদের চেষ্টার কোনো কমতি নেই।’
অপরাধ নিয়ন্ত্রন প্রসঙ্গে পুলিশের মহাপরিদর্শক বলেন, ‘অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এটা শতভাগ তো কোনো জায়গায় করে ফেলা যায় না। আমাদের দেশের গত ১০-১৫-২০ বছরের অপরাধ পরিসংখ্যান যদি নেন, প্রতি বছরই সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজার হত্যা সংঘটিত হয়ে থাকে। আমাদের অবশ্যই চেষ্টা থাকবে একজন লোকও যেন মারা না যায়। সেটা আমাদের লক্ষ্য।’
নির্বাচনের সময় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রার্থীদের উদ্বেগের বিষয়ে সাংবদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘অবশ্যই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, নির্বাচনের উপযোগী রাখা এটা আমাদের দায়িত্ব। এখানে শুধু পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ একা না, এখানে পুলিশের সঙ্গে নির্বাচনের দিন তো বিপুল পরিমাণ, ছয় লাখেরর মতো আনসার সদস্য থাকবেন। এখন নির্বাচনে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, প্রতিরক্ষা বাহিনী আমাদের সঙ্গে আছে। বর্ডার গার্ড আছে, ইভেন কোস্ট গার্ড এবং নেভি উপকূলীয় অঞ্চলে এখন আইনশৃঙ্খলা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।’




