সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিপিএলের ১৯তম ম্যাচে টস ভাগ্য সহায় হয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালসের। টস জিতে এক মুহূর্তও দেরি না করে শুরুতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় চট্টগ্রামের অধিনায়ক। দুপুরের ম্যাচে সিলেটের উইকেটে থাকা আর্দ্রতা ও নতুন বলের সহায়ক কন্ডিশন কাজে লাগাতেই এই কৌশলী সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।
শুরুতেই ধাক্কা খেল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই বিপাকে পড়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। চট্টগ্রামের বোলারদের টাইট লাইন-লেন্থ ও বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে পাওয়ারপ্লের মধ্যেই হারাতে হয় টপ অর্ডারের দুই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। ইনিংস পুনর্গঠনের চেষ্টা শুরু হলেও অষ্টম ওভারে আবারও একটি উইকেট হারিয়ে আরও চাপে পড়ে যায় ওয়ারিয়র্সরা।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৮.১ ওভার শেষে রাজশাহীর সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৫৩ রান। বর্তমান রান রেট ৬.৪৯ যা টি-টোয়েন্টির জন্য কিছুটা মন্থর বলেই বিবেচিত হচ্ছে।
চট্টগ্রামের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত দাপট
চট্টগ্রাম রয়্যালসের পেসাররা শুরু থেকেই উইকেটের সুবিধা কাজে লাগিয়ে নিয়মিত বিরতিতে আঘাত হানছেন। বিশেষ করে সঠিক লেন্থের বল ও কার্যকর স্লোয়ারের মিশ্রণে রাজশাহীর ব্যাটাররা রানের গতি বাড়াতে পারছেন না। বোলিং আক্রমণের এমন শৃঙ্খলিত প্রয়োগ রাজশাহীকে রক্ষণাত্মক ব্যাটিংয়ে বাধ্য করেছে।
এ অবস্থায় রাজশাহীর ভরসা এখন পুরোপুরি মিডল অর্ডার। উইকেটে থাকা ব্যাটারদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ একটি স্থায়ী জুটি গড়ে ইনিংসকে টেনে নেওয়া এবং শেষ দিকে রানের গতি বাড়ানো।
পিচ-কন্ডিশন বিশ্লেষণ ও সম্ভাব্য চিত্র
সিলেটের উইকেটে বল খানিকটা থেমে আসছে, যা ধীরে ধীরে স্পিনারদের জন্য বাড়তি সুবিধা এনে দিতে পারে। রাজশাহী যদি দ্রুত আরও উইকেট হারায়, তবে ১০০–১২০ রানের মধ্যেই গুটিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে হাতে এখনও ৭ উইকেট থাকায় এবং অভিজ্ঞ ব্যাটারদের উপস্থিতিতে ১৫০–১৬০ রানের একটি লড়াকু স্কোর গড়ার সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
সরাসরি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।




