বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের জন্য যে সবচেয়ে বড় অবদান রেখে গেছেন, তা হলো স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের চেতনা। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের মা হিসেবে খালেদা জিয়া আমাদের দেশপ্রেম, সৌহার্দ্য ও সাহসের শিক্ষা দিয়েছেন এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে শিখিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মাদারবাড়ী বিএনপির অঙ্গসংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমীর খসরু বলেন, আমরা বারবার কারাবরণ করেছি, নির্যাতনের শিকার হয়েছি, কিন্তু কখনো সাহস হারাইনি। এই দৃঢ়তা আমরা শিখেছি বেগম খালেদা জিয়ার কাছ থেকেই। তিনি নিজের স্বার্থে কিংবা গণতন্ত্রের প্রশ্নে কখনো আপস করেননি।
তিনি বলেন, আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে বেগম জিয়া আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। দেশের মানুষের ভোটাধিকার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তিনি জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, কিন্তু কখনো মাথা নত করেননি। “তিনি যদি কোনো সময় আপস করতেন, আজ আমাদের এই সাহস ও আত্মবিশ্বাস থাকত না।
আমীর খসরু আরও বলেন, যারা দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে ক্ষমতার সঙ্গে আপস করেছে, দুর্নীতিতে জড়িয়েছে, তারা আজ রাজনীতি থেকে হারিয়ে গেছে। এরশাদ কিংবা ১/১১–এর সময় অনেকে সমঝোতার পথ বেছে নিলেও বেগম খালেদা জিয়া কিংবা বিএনপি তা করেনি। এ কারণেই বিএনপি আজ দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল হয়ে উঠেছে।
তারেক রহমানের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, তিনি ক্ষমতার প্রদর্শন নয়, সাধারণ মানুষের কাতারে দাঁড়ানোর রাজনীতি দেখিয়েছেন। বাসে করে মানুষের কাছে গেছেন, সিগন্যাল লাইটে গাড়ি থামিয়েছেন—কারণ সবাই থামছে, আমিও থামাবো। এটাই নতুন রাজনীতি।
তিনি বলেন, ক্ষমতার অহংকার থেকে বেরিয়ে এসে জনগণের স্বার্থকেই রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে হবে। দেশের প্রকৃত ক্ষমতার মালিক জনগণ—এই চিন্তা নিয়েই নতুন রাজনীতি গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম সাইফুল আলম, শওকত আজম খাজাসহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।




