ঢাকা | বৃহস্পতিবার
২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিক্রির চাপ সামলে ঘুরে দাঁড়াল শেয়ারবাজার

সূচকের দোলাচলের মধ্য দিয়েই সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) ইতিবাচক অবস্থানে শেষ করেছে দেশের শেয়ারবাজার। লেনদেনের শুরুতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক ঊর্ধ্বমুখী থাকায় বাজারে কিছুটা স্বস্তি দেখা যায়। সকাল সাড়ে ১১টার আগেই সূচক ৫ হাজার পয়েন্টের ঘর ছুঁয়ে ফেললেও এরপর বিক্রির চাপ বাড়তে থাকায় বাজার নিম্নমুখী হয়ে পড়ে। তবে শেষ ভাগে আবারও ক্রেতাদের সক্রিয়তায় সূচক ঘুরে দাঁড়ায় এবং দিন শেষে সবুজ সংকেতেই লেনদেন শেষ হয়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সামনে বাজার আরও ভালো করার প্রত্যাশায় বিনিয়োগকারীরা এখন বিক্রির চেয়ে শেয়ার ধরে রাখতেই বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। ফলে সূচক বাড়লেও লেনদেনের পরিমাণ টাকার অঙ্কে কমেছে। একই কারণে এদিন বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর হ্রাস পেয়েছে।

দিনের বাজারচিত্রে দেখা যায়, ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৯৯৮ দশমিক ৫৪ পয়েন্টে। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস আগের দিনের তুলনায় ১ দশমিক ৪২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ১০ দশমিক ৮০ পয়েন্টে। পাশাপাশি ব্লু-চিপ সূচক ডিএসই-৩০ ১ দশমিক ৫৬ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯১৪ দশমিক ৯৩ পয়েন্টে।

এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯১টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ১২৫টির শেয়ারের দর বেড়েছে, ১৮৩টির দর কমেছে এবং ৮৩টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

লেনদেনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ডিএসইতে মোট শেয়ার লেনদেন হয়েছে প্রায় ৪২৯ কোটি ১১ লাখ টাকার। আগের কার্যদিবসে এই লেনদেন ছিল ৪৬৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। ফলে এক দিনের ব্যবধানে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে প্রায় ৩৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) এদিন শেয়ার ও ইউনিট মিলিয়ে মোট লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ৬৬ লাখ টাকার। আগের দিন সেখানে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১২ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৬৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫৩টির দর বেড়েছে, ৮১টির দর কমেছে এবং ৩০টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

দিন শেষে চট্টগ্রাম বাজারের সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২১ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৯৯৭ দশমিক ৩১ পয়েন্টে। আগের কার্যদিবসে এই সূচক ১০৭ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছিল।

সংবাদটি শেয়ার করুন