ঢাকা | রবিবার
১লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টপ অর্ডারে নেমে নাসিরের ঝড়ো ব্যাটিং

জাতীয় টি-টোয়েন্টি দলের সহ-অধিনায়ক সাইফ হাসানের অনুপস্থিতিতে টপ অর্ডারে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে তা দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছেন নাসির হোসেন। নোয়াখালীর বোলারদের ওপর শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করে সহজ জয় নিশ্চিত করেন এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নোয়াখালী নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৩৩ রান। জবাবে লক্ষ্য তাড়ায় নেমে মাত্র ১৪ দশমিক ১ ওভারেই জয় তুলে নেয় ঢাকা।

এই হারের ফলে বিপিএলে টানা পাঁচ ম্যাচে পরাজয়ের লজ্জাজনক রেকর্ড গড়ে নোয়াখালী, যা আসরের ইতিহাসে পঞ্চম দল হিসেবে যুক্ত হলো। অন্যদিকে এটি ঢাকার দ্বিতীয় জয়। রান তাড়ায় দুই ওপেনার দ্রুত বিদায় নিলেও তিন নম্বরে নেমে ঝড় তোলেন নাসির হোসেন। মাত্র ৯ বলে ১২ রান করার পরের ৮ বলেই ৬টি চার ও একটি ছক্কায় অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি, যা চলতি আসরের দ্রুততম ফিফটি।

এরপর ইরফান শুক্কুরের সঙ্গে ২৮ বলে ৫৯ রানের জুটি গড়েন নাসির। পরে ইমাদ ওয়াসিমকে সঙ্গে নিয়ে আরও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন তিনি। নাসির ৫০ বলে ১৪টি চার ও ২টি ছক্কায় দলের জয় নিশ্চিত করেন। অপর প্রান্তে ইমাদ ওয়াসিম ১৬ বলে ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে নোয়াখালী। দলীয় ১১ রানের মধ্যেই সাজঘরে ফেরেন দুই ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান ও সৌম্য সরকার। তিন নম্বরে নেমে মাজ সাদাকাত কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন অন্য ব্যাটাররা। ১৯ বলে ২৪ রান করা মাজ আউট হলে মাত্র ৪০ রানেই ৫ উইকেট হারায় দলটি।

পরে অভিজ্ঞ নবি ও অধিনায়ক হায়দারের ব্যাটে কিছুটা লড়াইয়ে ফেরে নোয়াখালী। হায়দার ৩৬ বলে ৪৭ রান করে শেষ ওভারে আউট হন। অন্যদিকে নবি ৩৩ বলে ৪২ রানে অপরাজিত থাকেন। তাদের ব্যাটেই নির্ধারিত ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রান তুলতে সক্ষম হয় নোয়াখালী।

ঢাকার বোলারদের মধ্যে ইমাদ ওয়াসিম, তাসকিন আহমেদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, জিয়াউর রহমান, নাসির হোসেন ও আব্দুল্লাহ আল মামুন একটি করে উইকেট নেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন