ঢাকা | শুক্রবার
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেসি বনাম ইয়ামাল: ক্যারিয়ারের প্রথম ১৫০ ম্যাচ শেষে কে এগিয়ে?

বার্সেলোনা ও স্পেন জাতীয় দলের হয়ে মাত্র ১৮ বছর বয়সে ১৫০টি ম্যাচ খেলে ফেলেছেন লামিনে ইয়ামাল। এত অল্প বয়সে এত বড় মঞ্চে অভিজ্ঞতার পথ চলা এটাই তো বিস্ময়। কিন্তু ইয়ামাল শুধু উপস্থিতি নয়, মাঠে জাদুকরী পারফরম্যান্স দিয়ে দর্শকরা মন্ত্রমুগ্ধ করছেন। তাই তাকে তুলনা করা হচ্ছে লিওনেল মেসির সঙ্গে, যিনি তৎকালীন সময়ে ইয়ামালের মতোই বার্সেলোনার লা মাসিয়া একাডেমিতে বেড়ে উঠেছিলেন।

ইয়ামাল নিজেই বারবার বলেছেন, তিনি মেসির ছায়ায় থাকতে চান না, নিজের আলাদা পরিচয় গড়ে তুলতে চান। তবে পরিসংখ্যান যখন সামনে আসে, তুলনার পথ ‘অনিবার্য’ হয়ে যায়। শুরুটা দারুণ হলেও, মেসির সেই অতিমানবীয় ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হবে ইয়ামালের আসল চ্যালেঞ্জ। সময়ই বলে দেবে, তিনি কি মেসির উচ্চতাকে স্পর্শ করতে পারবেন।

তথ্য বলছে, ১৫০ ম্যাচ খেলার সময় ইয়ামাল মাত্র ১৮, যেখানে মেসি সেই মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন ২১ বছর বয়সে। অর্থাৎ অভিজ্ঞতার দিক থেকে ইয়ামাল এখনই অনেক বেশি পরিপক্ব। মেসি ১৮ বছর বয়সে মূল একাদশে জায়গা পাকা করতে লড়ছিলেন, আর ইয়ামাল তখনই বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছেন।

সংখ্যার দিক থেকে দেখা যায় গোলের হিসাব মেসি এগিয়ে। ইয়ামালের গোল ৪০, মেসির ৫৮। কিন্তু অ্যাসিস্টে ইয়ামাল প্রভাবশালী; ১৫০ ম্যাচে ৫৭টি অ্যাসিস্ট করেছেন, যেখানে মেসির ছিল ৩১টি। মোট গোলে অবদানে ইয়ামাল ৯৭টি, মেসি ৮৯টি। মিনিটের হিসাবেও প্রায় সমান; ইয়ামাল প্রতি ১১৩ মিনিটে একটি গোল বা অ্যাসিস্ট করেছেন, মেসি প্রতি ১১৫ মিনিটে।

অর্থাৎ, প্রথম ১৫০ ম্যাচের পর ইয়ামালের অবদান ইতিমধ্যেই মেসির তুলনায় সামগ্রিকভাবে বেশি। সংখ্যাগুলো পুরো গল্প বলে না, তবে ইঙ্গিত দেয় ইয়ামালের ভবিষ্যত আরও উজ্জ্বল হতে যাচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন