অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা খরচে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পড়াশোনার স্বপ্ন বাস্তব হতে পারে “ক্ল্যারেন্ডন স্কলারশিপ” এর মাধ্যমে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশের শিক্ষার্থীরা এই মর্যাদাপূর্ণ স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কোর্সভেদে আবেদন সময়সীমা আলাদা হয়ে থাকে।
ক্ল্যারেন্ডন স্কলারশিপ যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্কলারশিপ প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে একটি। প্রতি বছর মেধা ও প্রতিভার ভিত্তিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি (DPhil) প্রোগ্রামের বিভিন্ন বিষয়ে সম্পূর্ণ বিনা খরচে অধ্যয়ন করতে পারবেন।
স্কলারশিপটি ২০০১ সালে প্রথমবার চালু হয় এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে তাদের মেধা বিকাশে সাহায্য করছে। বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ২০০টির বেশি ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ প্রদান করা হয়।
সুযোগ-সুবিধা:
সম্পূর্ণ টিউশন ফি প্রদান করা হয়।
ফুলটাইম শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক জীবনযাত্রার খরচ (লিভিং অ্যালাওয়েন্স) প্রদান করা হয়, যা যুক্তরাজ্যের নির্ধারিত ন্যূনতম স্টাইপেন্ডের সমপরিমাণ।
পার্টটাইম শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য ক্ষেত্রে টিউশন ফি ও অন্যান্য একাডেমিক খরচে সহায়তা প্রদান করা হয়।
ক্ল্যারেন্ডন স্কলারদের জন্য Clarendon Scholars’ Association-এ যুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকে।
আবেদনের যোগ্যতা:
আবেদনকারীকে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি অর্জন করতে হবে।
অ্যাকাডেমিক ফলাফল অত্যন্ত ভালো হতে হবে (নির্দিষ্ট কোনো CGPA বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ নেই, তবে উচ্চ ফলাফল প্রত্যাশিত)।
যেকোনো সাবজেক্টের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার প্রমাণ থাকতে হবে (IELTS/TOEFL বা সমমান)।
আবেদনকারীকে অবশ্যই ফুলটাইম অথবা পার্টটাইম পিএইচডি এবং মাস্টার্সের যেকোনো কোর্সে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত থাকতে হবে।
প্রয়োজনীয় নথিপত্র:
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন ফরম।
একাডেমিক ট্রান্সক্রিপট ও সার্টিফিকেট।
পার্সোনাল স্টেটমেন্ট।
গবেষণাভিত্তিক কোর্সের ক্ষেত্রে রিসার্চ প্রপোজাল (প্রযোজ্য হলে)।
ইংরেজি ভাষা দক্ষতার সনদ।
রেকমেন্ডেশন লেটার।
আবেদনের পদ্ধতি
আগ্রহীরা আবেদন করতে এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন…




