যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালতে ভেনেজুয়েলার বন্দি প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচার সংক্রান্ত মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই সময়ে, তার গ্রেফতারের বৈধতা নিয়ে জাতিসংঘে বৈঠক শুরু হয়েছে। খবরটি দেয়া হয়েছে রয়টার্সের মাধ্যমে।
এই সপ্তাহের শুরুতে মার্কিন বিশেষ বাহিনী হেলিকপ্টার ব্যবহার করে রাজধানী কারাকাসে অভিযান চালিয়ে মাদুরোকে আটক করে। ১৯৮৯ সালে পানামায় আগ্রাসনের পর এটি লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক হস্তক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মাদুরোর গ্রেফতারের পরও ভেনেজুয়েলার ক্ষমতা এখনো তার সমর্থকদের হাতে রয়েছে। ইতিমধ্যে দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ডেলসি রদ্রিগেজ।
প্রথমদিকে মাদুরোর গ্রেফতারের ঘটনাকে ‘উপনিবেশিক হস্তক্ষেপ’ এবং ‘অপহরণ’ হিসেবে নিন্দা জানিয়েছিলেন রদ্রিগেজ। তবে রোববার তার অবস্থান বদলায়, তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্মানজনক সম্পর্ক গড়ে তোলা এখন দেশের অগ্রাধিকার।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভেনেজুয়েলা যদি তেল খাত উন্মুক্ত না করে এবং মাদক পাচার রোধে সহযোগিতা না করে, তবে তিনি আরও সামরিক পদক্ষেপের নির্দেশ দিতে পারেন। তিনি একই সঙ্গে কলম্বিয়া ও মেক্সিকোর বিরুদ্ধেও পদক্ষেপের হুমকি দেন এবং কিউবার কমিউনিস্ট সরকারকে ‘নিজ থেকেই পতনের পথে’ আখ্যায়িত করেন।




