ঢাকা | শুক্রবার
৩০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৫৫ জনের নামে মামলা করলো বিটিআরসি

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় বিটিআরসি ভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটি ৫৫ জনকে আসামি করে মামলা করেছে। এ ছাড়াও আনুমানিক ৫০০ থেকে ৬০০ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) শেরেবাংলা নগর থানায় বিটিআরসির লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং বিভাগের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জাহেদ মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে মোবাইল ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন সময়ে তাদের দাবিদাওয়ার জন্য আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন। এসব আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বিটিআরসির চেয়ারম্যান ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন। ১ জানুয়ারি ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) সিস্টেম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়।

এরপর বিকেলে আন্দোলনকারীরা বিটিআরসি ভবনের সামনে জড়ো হন এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে শুরু করেন। একপর্যায়ে কিছু দুষ্কৃতিকারী পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভবনের কাচ ও অন্যান্য সম্পদ ধ্বংস করেন, যা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং রাষ্ট্রীয় শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গের চেষ্টা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

ভবনের কাচ ভেঙে পড়ার কারণে আনুমানিক দুই কোটি টাকার ক্ষতি হয়। এছাড়াও বিটিআরসির ৫১ সিটের এসি স্টাফ বাস ভাঙচুরের ঘটনায় প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়েছে, হামলার সময় দুষ্কৃতিকারীরা রাস্তাঘাট বন্ধ করে ভাঙচুর ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালায়। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ বাহিনী উপস্থিত হলে অনেকেই পালিয়ে যায়, কিন্তু ৪৫ জনকে আটক করা সম্ভব হয়।

আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও ১০ জনের নাম শনাক্ত হয়। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, এই ব্যক্তিরা ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা ও সহায়তায় অংশ নিয়েছে। এ ছাড়া আনুমানিক ৫০০–৬০০ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি এই হামলার সঙ্গে যুক্ত বলে এজাহারে জানানো হয়েছে।

মোবাইল ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে এনইআইআর ব্যবস্থার বিরোধিতা করলেও ১ জানুয়ারি কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়। এর পরই আবারও বিক্ষোভ শুরু হয় এবং ইট-পাটকেল ছুড়ে ভবনে হামলা চালানো হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন